বিজ্ঞাপন
default-image

চোটের কারণে নিয়মিত অধিনায়ক তপু বর্মণকে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল বসুন্ধরা। তাঁর জায়গায় একাদশে খেলা সেন্টারব্যাক ইয়াসিন খানের ডান পাশকেই আজ লক্ষ্য বানিয়েছিল সাইফ। সেদিক দিয়েই ম্যাচের ১৮ মিনিটে সাইফের এগিয়ে যাওয়া। লেফটব্যাক ইয়াসিন আরাফাতের থ্রুতে ইয়াসিনকে গতিতে ছিটকে ফেলে বক্সে ঢুকে দূরের পোস্টে প্লেসিংয়ে জালে জড়িয়েছেন নাইজেরিয়ান জন ওকোলি। লিগে এটি তাঁর চতুর্থ গোল।

গোল হজম করে আক্রমণের গতি বাড়ানোর জন্য মিডফিল্ডার আলমগীর কবিরের বদলি হিসেবে নামানো হয় মতিন মিয়াকে। আক্রমণে বৈচিত্র্য বাড়ানোটাই লক্ষ্য। গতিও বাড়ে। ৩৩ মিনিটে তৌহিদুল আলমের গোলে সমতায় ফিরে বসুন্ধরা। ইরানি ডিফেন্ডার খালিদ শাফিইয়ের লম্বা থ্রোইন বক্সের মধ্যে থেকে সাইফ ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করলে ফিরতি বলে শট নিয়েছিলেন জোনাথন ফার্নান্দেজ। সেটি সাইফ গোলরক্ষক সাইফুল ইসলাম ঠেকিয়ে দিলে বক্সের সামনে থেকে হেডে জালে জড়িয়ে দেন তৌহিদুল। লিগে এটি তাঁর তৃতীয় গোল।

default-image

এর চার মিনিট পর যেভাবে গোল করে এগিয়ে গিয়েছে বসুন্ধরা, তা অবিশ্বাস্য। প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে দূরপাল্লার শটে চোখধাঁধানো গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান রবসন ডি সিলভা। সাইফ গোলরক্ষক সাইফুল বাঁ দিকে ঝাঁপালেও বলের নাগাল পাননি। বলটি জাল থেকে বের করে এনে কোমরে হাত দিয়ে শূন্যে তাকিয়ে থাকলেন এই গোলরক্ষক। দল গোল হজম করার পরও হতাশা দেখা গেল না কোচ পুটের মধ্যে। প্রতিপক্ষ দলের এমন দুর্দান্ত গোলের পর যেন প্রতিক্রিয়া জানানোর ভাষা পাচ্ছিলেন না। লিগে দৃষ্টিনন্দন গোল এর আগেও করেছেন রবিনিও নামে পরিচিত ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। কিন্তু আজকের গোলটিকে রাখতে হবে সবার শীর্ষে। লিগে এটি তাঁর ১০ নম্বর গোল।

এগিয়ে গিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রক্ষণভাগ মেরামত করেন বসুন্ধরা কোচ অস্কার ব্রুজোন। সেন্টারব্যাক ইয়াসিনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলায় তাঁর জায়গায় বদলি হিসেবে নামানো হয় রাইটব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষকে। ইরানি সেন্টারব্যাক খালিদ শাফিইয়ের সঙ্গে জুটিটা ভালোই গড়েছিলেন বিশ্বনাথ। কিন্তু তাঁর এক ফাউলের খেসারতই দিতে যাচ্ছিল বসুন্ধরা। বক্সের মধ্যে বল দখলের লড়াইয়ে স্লাইডিং ট্যাকল করে ওকোলিকে ফেলে দিলে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। কিন্তু ৮৪ মিনিটে স্পটকিক থেকে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ ইকেচুকু কেনেথ। তাঁর নেওয়া শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেছেন আনিসুর রহমান।

default-image

এর আগে ৬০ মিনিটে একটি পেনাল্টির দাবি তুলেছিলেন সাইফের খেলোয়াড়েরা। কেনেথের ক্রস থেকে হেড করে বল ক্লিয়ার করেন তৌহিদুল। লাফিয়ে উঠে বল ক্লিয়ারের সময় তৌহিদুলের হাতে বল লেগেছিল বলে দাবি সাইফের খেলোয়াড়দের। কিন্তু রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি। আর পরে তো পেনাল্টি পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ। এই হারে ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে সাইফ ও ১০ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে বসুন্ধরা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন