লেভান্তের বিপক্ষে কাল ৬-০ গোলে জিতেছে রিয়াল। ১৯ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে ভিনিসিয়ুসের ক্রসে গোল করে রাউলকে ধরে ফেলেন বেনজেমা। রিয়ালের ইতিহাসে শীর্ষ তিন গোলদাতার তালিকাটা দাঁড়াল এমন—রোনালদো (৪৫০), বেনজেমা (৩২৩) ও রাউল (৩২৩)। বেনজেমাকে রাউলের আগে রাখারও সংগত কারণ আছে।

রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’কে তিনি টপকে যাবেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। কে জানে, নাগালে পেয়ে যেতে পারেন রোনালদোকেও! বেনজেমার ৩৪ বছর বয়স সে ক্ষেত্রে বড় বাধা হতে পারে।

default-image

রোনালদো রিয়ালে থাকতে বেনজেমার ভূমিকাটা নিখাদ স্ট্রাইকারের ছিল না। দ্বিতীয় স্ট্রাইকার কিংবা ছায়া স্ট্রাইকার হিসেবে খেলতে হয়েছে। গোল বানিয়ে দিতে হয়েছে পর্তুগিজ তারকাকে। রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাই বুঝিয়ে দিলেন, রোনালদো রিয়াল ছাড়ায় আদতে লাভই হয়েছে বেনজেমার। পরিপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পেরেছেন। দলের দায়িত্ব নিয়ে বিকশিত করতে পেরেছেন নিজের নেতৃত্বগুণ। নইলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এ মৌসুমে ৪৩ ম্যাচে ৪৩ গোলের দুর্দান্ত পরিসংখ্যানটা বেনজেমার নামের পাশে দেখা যেত না।

চ্যাম্পিয়নস লিগে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে টানা দুই হ্যাটট্রিকে রিয়ালকে টেনেও তুলতে পারতেন না বেনজেমা, যদি নিজের কাঁধে সব দায়িত্ব তুলে নেওয়ার তাগিদটা অনুভব না করতেন!

সম্প্রচারমাধ্যম সাইরিয়াসএক্সএম-কে কালকের ম্যাচের আগে বলেছেন আনচেলত্তি, ‘বেনজেমাকে শুধু সেন্টার ফরোয়ার্ড বলতে আমার অসুবিধা হয়। রোনালদো যাওয়ার পরই করিম একজন নেতা হয়ে উঠেছে।’

১৯৯৪ থেকে ২০১০ পর্যন্ত রিয়ালে ৭৪১ ম্যাচ খেলে ৩২৩ গোল করেছিলেন রাউল। বেনজেমা (৬০৩ ম্যাচ) ১৩৮ ম্যাচ কম খেলেই তাঁকে ধরে ফেললেন।

রোনালদো রিয়ালে থাকতে ৪১২ ম্যাচে ১৯২ গোল ছিল বেনজেমার। রোনালদো রিয়াল ছাড়ার পর এ পর্যন্ত ১৯১ ম্যাচে বেনজেমার গোলসংখ্যা ১৩১। রিয়াল সমর্থকদের নিশ্চয়ই রোনালদো-পরবর্তী বেনজেমাকেই বেশি পছন্দ!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন