বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উয়েফা আয়োজিত ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতা থেকে সরে এসে নিজেদের মধ্যে আলাদাভাবে আরেকটা টুর্নামেন্ট আয়োজন করার ব্যাপারটা কোনো দলের সমর্থকেরাই ভালোভাবে নেয়নি। সুপার লিগের ঘোষণা আসার পরেই 'বিদ্রোহী' ১২ ক্লাবের মধ্যে সবার আগে মাঠে নেমেছিল লিভারপুল।

সে ম্যাচের আগে দলটার সমর্থকেরা করোনাভাইরাসের ভীতির তোয়াক্কা না করে অ্যানফিল্ডের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেছিল। তাঁদের দেখেদেখি অন্যান্য ক্লাবের সমর্থকেরাও বিক্ষোভের পথ বেছে নেয়। কথা ছিল একটাই, যে সমর্থকদের জন্য ফুটবল খেলাটা আজ এত জনপ্রিয়, বাড়তি টাকার জন্য খেলাটাকে সে সমর্থকদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া যাবে না।

বাংলাদেশ সময় গত রাতে বিক্ষোভের মাত্রা বেড়ে যায় আরও বহুগুণ। চেলসি, আর্সেনাল, টটেনহাম, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকেরাও তুমুল প্রতিবাদ করা শুরু করে নিজ নিজ মাঠের বাইরে এসে। অবস্থা বেগতিক দেখে সুপার লিগে নাম, লেখানো ছয় ইংলিশ ক্লাবের প্রত্যেকটির কর্তাব্যক্তিরা জরুরি সভায় বসেন।

ওদিকে লিভারপুলের অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসন নিজেই উদ্যোগী হয়ে প্রিমিয়ার লিগের দলগুলোর অধিনায়কদের সঙ্গে সভায় বসেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, ক্লাবকর্তাদের এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কিছু একটা করার চেষ্টা করা।

সেই সভা শেষে লিভারপুলের খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে হেন্ডারসন বিবৃতি দিয়েছিলেন, 'আমরা এই সিদ্ধান্ত পছন্দ করছি না, এবং এমন কোনো কাজ আমরা হতে দিতে পারি না। এটা আমাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত। এই ক্লাব ও ক্লাবের সমর্থকদের প্রতি আমাদের পুরোপুরি ও শর্তহীন দায়বদ্ধতা রয়েছে।'

শেষমেশ সবার আগে বিবৃতি দিয়ে লিগ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ম্যানচেস্টার সিটি। আস্তে আস্তে লিগ থেকে নাম কাটিয়ে নেয় লিভারপুল, চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আর্সেনাল ও টটেনহাম।

ফলাফল, ইউরোপিয়ান সুপার লিগের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। বাকি ছয় ক্লাব এখনও সরে না আসলেও, খুব শিগগিরই সরে আসবে, এমনটাই শোনা গেছে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন