বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রেঁনের এই মিডফিল্ডারের বয়স এখনো ১৮ হয়নি। এর মধ্যেই ফ্রান্স জাতীয় দলে খেলা গেছে তাঁর। যে কাজটা গত দুই বছর ধরে আলোচনায় থেকেও করতে পারেননি আওয়ারের মতো মিডফিল্ডার। কামাভিঙ্গাকে তাই গত মৌসুম থেকেই নজরে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু জিনেদিন জিদানের অধীনে খেলার লোভ সামলে রেঁনেতেই থেকে গেছেন কামাভিঙ্গা। কারণ নিজের বর্তমান ক্লাব যে চ্যাম্পিয়নস লিগে উঠেছে। আর ক্লাবের চ্যাম্পিয়নস লিগ যাত্রার অংশ হওয়াটাই গুরুত্ব পেয়েছে তাঁর কাছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে অভিষিক্ত এই খেলোয়াড় নিজের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট। টেলিফুটকে বলেছেন, ‘বড় ক্লাব যখন আগ্রহ দেখায়, সেটা অবশ্য ভালো লাগে। কিন্তু তাতেই আমি আপ্লুত হয়ে যাচ্ছি না। আমি আমার পরিবারের সঙ্গেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি (থেকে যাওয়ার)। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন খুব ভালো লাগছে। আমার এখন শুধু ফুটবলে মনোযোগ দিতে চাই এবং আশ পাশে কী হচ্ছে তা নিয়ে ভাবতে চাই না। জীবন এখন খুব ভালো কাটছে। এখন খুব ভালো আছি।’

বয়স এখনো ১৮ হয়নি। কিন্তু মাঠে তাঁকে দেখে কখনো বোঝা যায় না। পূর্ণ বয়স্ক একজন ফুটবলারের মতোই মাথা ঠান্ডা রাখতে জানেন। অভিজ্ঞ ফুটবলারদের মাঝেও আলাদা করে চেনা যায় তাঁকে। ফ্রান্সের হয়ে ইতিহাস গড়ার পরও নিজেকে সামলে রাখছেন কামাভিঙ্গা, ‘প্রথমেই বলে নিই, আমার পরিবার ও ফ্রান্সের মানুষদের জন্য আমার আনন্দ হচ্ছে, গর্ব হচ্ছে। আমার কোনো ধারণা নেই, কোত্থেকে এই আত্মবিশ্বাস পাই। আমি প্রায়ই বেশি বয়সীদের সঙ্গে খেলেছি আর এটা আমাকে পরিণত করেছে।’

এই পরিণতবোধ আর আত্মবিশ্বাসই তাঁকে পেতে আগ্রহী করে তুলছে রিয়াল ও পিএসজিকে। এই মৌসুমের জন্য রেঁনেতেই হয়তো রয়ে গেছেন। তবে এভাবে খেলা চালিয়ে গেলে খুব বেশি দিন যে এই ক্লাবে থাকবেন না, এটাও নিশ্চিত করে বলে দেওয়া যায়।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন