বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এ মৌসুমেই বার্সেলোনা ছেড়েছেন মেসি। ওদিকে তাঁর সঙ্গে খেলার আশায় বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন সের্হিও আগুয়েরো। বার্সা–ক্যারিয়ার লম্বা হয়নি তাঁর, মাত্র ১৬৫ মিনিট খেলেছেন। এর মধ্যে মাত্র ১৬ মিনিট খেলেই এল ক্লাসিকোতে গোল করেছেন। কিন্তু হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ক্যারিয়ারই শেষ হয়ে গেছে তাঁর।

মাঠে না থাকতে পারলেও ফুটবল–দুনিয়ায় এখনো সরব আগুয়েরো। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সে ম্যাচের সরাসরি ধারাভাষ্য দেন নিজের স্ট্রিমিং চ্যানেলে। নিজের দল ম্যানচেস্টার সিটি ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ভিনিসিয়ুসের গোলের পর তাঁর প্রতিক্রিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তুলেছিল। একজন কড়া ভক্তের মতো গালি দিয়ে বসেছিলেন, আবার এমন দুর্দান্ত গোলের প্রশংসাও করেছেন নিজেকে সামলে নিয়ে।

গতকালও স্ট্রিমিং করছিলেন আগুয়েরো। আরেক সিটি কিংবদন্তি ও আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড কার্লোস তেভেজ ছিলেন তাঁর সঙ্গী। দুজনে মিলে ম্যাচের বিভিন্ন মুহূর্তের বর্ণনা দিচ্ছিলেন। ৯০ ও ৯১ মিনিটে রদ্রিগোর দুই গোলে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।
৯৫ মিনিটে করিম বেনজেমার পেনাল্টি গোলে রিয়াল এগিয়েও যায়। মুখে একরাশ হতাশা ও বিরক্তি নিয়ে সে গোলেরও বর্ণনা দিয়েছেন আগুয়েরো। তাঁর স্ট্রিমিংসেবার একজন নিবিষ্ট শ্রোতা যে স্বয়ং মেসি, সেটা জানা গেল একটু পরই।

default-image

একটু পরই আগুয়েরো জানালেন, তাঁর কাছে একজন বার্তা পাঠিয়েছেন। সে বার্তায় মেসি ছাপার অযোগ্য ভাষায় যা বলেছেন, তার প্রকাশযোগ্য রূপটি হলো, ‘রিয়াল মাদ্রিদের তৃতীয় গোলের পর আমাকে একটা মেসেজ দিয়েছে, “রসিকতা করো না, এটা অসম্ভব।”’

বার্সেলোনা ছাড়লেও মনেপ্রাণে সব সময় কাতালান থাকবেন মেসি। বার্সার একজন হয়ে রিয়ালের জয় এমনিতেই সহ্য করা কঠিন। আর সে জয়টা যদি এভাবে আসে, তাহলে তো জ্বলুনি আরও বাড়ে। কাল মেসি তাই নিজের কষ্টটা আর লুকাতে পারেননি।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন