বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৩৩ বছর বয়সী এ স্ট্রাইকারের ভাষায়, ‘বেনজেমার সঙ্গে প্রতিযোগিতাটা স্বাস্থ্যকর ছিল। সামর্থ্যের সবটুকু নিংড়ে দিতে হতো। ক্রিস্টিয়ানো এসে প্রথম বছর ২৭ গোল করল, আমি ২৬ গোল করলাম। পরে কাকা ও বেনজেমা এল। তখন বলেছিলাম আমাকে কত গোল করতে হবে...।’

default-image

সান্তিয়াগো বার্নব্যুতে শুরুর সময় নিয়েও কথা বলেছেন হিগুয়েইন। রিভার প্লেট থেকে ১২ মিলিয়ন ইউরোয় তাঁকে কিনেছিল রিয়াল। শুরুতে নাকি তিনি ভাবতেই পারেননি যে মূল একাদশে সুযোগ পাবেন রিয়ালে, ‘রিয়ালের মূল দলে থাকব এটা শুরুতে মনে হয়নি। আমাকে কিনে তারা কাস্তিয়ায় (রিয়াল বি দল) পাঠাতে চেয়েছিল। ধারেও পাঠানোর সম্ভাবনা ছিল। বিমানে আসার সময় বাবা বলেছিল, শুধু একটি বিষয়ই জানতে চাই, তুমি ভীত কি না? কখনো ভয় পেও না...এই কথাটা মনে গেঁথে যায়। রিয়ালে যোগ দিয়ে মূল দলে অনুশীলন শুরু করি। দ্বিতীয় অনুশীলনের দিন ক্যাপেলো জানান, আমি এখানেই (মূল দল) থাকছি। তিন-চার দিন পর কোপা দেল রে-তে অভিষেক ঘটে আমার।’

রিভার প্লেটে মাত্র তিন মৌসুম খেলেই রিয়ালে যোগ দিয়েছিলেন হিগুয়েইন। অল্প বয়সে রিয়ালের মতো ক্লাবে যোগ দিয়ে প্রত্যাশার চাপ সামলাতে তাঁকে হিমশিম খেতে হয়েছে। তবুও ২৬৪ ম্যাচে ১২১ গোল করে রিয়ালে নিজেকে ভালোই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি, ‘রিভার প্লেটে মাস ছয়েক খেলে রিয়ালে যোগ দেব—তা কখনো ভাবিনি। কোপা লিবার্তোদোরেস খেলব, অন্তত কয়েক বছর রিভার প্লেটে খেলে তারপর ইউরোপে যাব—এমনটিই ভেবেছিলাম। রিয়ালে টিকে থাকাটা অনেক কঠিন ছিল। আর ১৮ বছর বয়সে বার্নাব্যুতে যাওয়ার চাপও ছিল অনেক। এত দিন পর নিজেকে যখন রিয়ালের ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ গোলদাতাদের একজন হিসেবে দেখি তখন ভাবি, ইউরোপে খেলার স্বপ্ন দেখেছি কিন্তু কখনো এমন ক্যারিয়ার ভাবিনি।’

default-image

২০১৯ সালে আর্জেন্টিনার জার্সি তুলে রাখেন হিগুয়েইন। অবসর ভেঙে আবারও আর্জেন্টিনা দলে ফেরার ইচ্ছা আছে কি না—এ প্রসঙ্গে হিগুয়েইন বলেন, ‘জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা দেখি না। জাতীয় দল নিয়ে ভাবনা থেকে অনেক দূরে আছি। এখন আমি জীবনের আরেক পর্যায়ে। (ফুটবল) অল্পই অবশিষ্ট আছে। এখন পরিবারই আমার প্রাধান্যের জায়গা। মেয়ের হাসিমুখ দেখতে সব করতে পারি।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন