দেম্বেলের গোলে ভায়াদোলিদ–বাধা পার হলো বার্সেলোনা।
দেম্বেলের গোলে ভায়াদোলিদ–বাধা পার হলো বার্সেলোনা।ছবি: রয়টার্স

কী ছিল না এই ম্যাচে!

লাল কার্ড, রেফারির প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত, শেষ মুহূর্তের গোল, পেনাল্টি নিয়ে আলোচনা—সবকিছু। উত্তেজনার পারদ চড়েছে গোটা ৯০ মিনিট ধরে। শেষমেশ হাসি ফুটেছে মেসিদের মুখেই। ১-০ গোলে রিয়াল ভায়াদোলিদকে হারিয়েছে বার্সেলোনা। গোল করেছেন বার্সার ফরাসি উইঙ্গার ওসমানে দেম্বেলে।

লা লিগার শিরোপা-দৌড়ে ম্যাচটার গুরুত্ব ছিল অনেক। আগের দিন আতলেতিকো হেরেছে সেভিয়ার কাছে। ফলে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, বার্সেলোনা ভায়াদোলিদকে হারালে আতলেতিকোর খুব কাছে চলে যাবে। ব্যবধান কমিয়ে আনবে ১ পয়েন্টে। আর সেটি হলে পরের সপ্তাহের রিয়াল-বার্সা ‘ক্লাসিকো’র গুরুত্বটা বেড়ে যাবে অনেকখানি। পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে এ দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ক্লাসিকোতে যে দল জিতবে, শিরোপা-দৌড়ে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাবে তারা। ভায়াদোলিদকে হারিয়ে রিয়ালকে তাই হুংকার শুনিয়ে রাখল বার্সেলোনা।

default-image

অথচ নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী দলটাই নামাতে পারেনি ভায়াদোলিদ। ১২ জন খেলোয়াড় কোভিডের কারণে কোয়ারেন্টিনে আছেন। ওদিকে বার্সা কোচ রোনাল্ড কোমান ভরসা রেখেছিলেন আন্তর্জাতিক বিরতির আগে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে খেলা দলটির ওপর। হলুদ কার্ডের শঙ্কা থাকার পরেও মাঠে নামিয়েছিলেন লিওনেল মেসিকে। একই শঙ্কা ছিল ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের বেলতেও। মাঠে নেমেছিলেন তিনিও। ভায়াদোলিদকে কোনো সুযোগই দিতে চাননি কোমান।

বিজ্ঞাপন

তবে মেসিরা থাকার পরেও ভায়াদোলিদ বার্সার চোখে চোখ রেখেই লড়েছে। ম্যাচের শুরুর দিকে ভায়াদোলিদের কেনান কেদ্রোর একটা জোরালো হেড পোস্টে লাগে। প্রথমার্ধে বার্সার সঙ্গে সমানে সমান টক্কর দিয়েছে তারা। কখনো কখনো মনে হয়েছে, বার্সাকে হয়তো ভায়াদোলিদই হারিয়ে দেবে। যদিও প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার একটু আগে পেদ্রির এক শটে গোল হতে পারত, হয়নি। গ্রিজমান আর দেম্বেলেও সুযোগ পেয়েছেন, গোল আসেনি তাতেও। এর মধ্যে জর্দি আলবার হাতে বল লাগলে পেনাল্টির আবেদন করে ভায়াদোলিদ। ভিএআরের সাহায্য নিয়ে রেফারি সে পেনাল্টির দাবি বাতিল করে দেন।

default-image

ভায়াদোলিদের দুর্দশা আরও বেড়ে যায় ৭৯ মিনিটে। পেছন থেকে দেম্বেলেকে বাজেভাবে ফাউল করার কারণে ভায়াদোলিদের স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ওস্কার প্লানো লাল কার্ড দেখে বসেন। কিন্তু সে লাল কার্ড কতটুকু যৌক্তিক, সে নিয়েও আলোচনা উঠে গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

শেষমেশ ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের কাছ থেকে বল ডিফেন্ডার অস্কার মিঙ্গেসা হয়ে দেম্বেলের কাছে আসলে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে দলকে জয় এনে দেন এই ফরাসি উইঙ্গার।

রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচটা এখন বার্সার বড় পরীক্ষাই।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন