বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গলফের প্রতি বেলের ভালোবাসা নতুন কিছু নয়। এ নিয়ে কারও মাথাব্যথাও ছিল না। কিন্তু ২০১৯ সালে রিয়াল সমর্থকদের খেপিয়ে তুলেছিলেন বেল। মাদ্রিদে ভালো করছেন না, চোটের জন্য খেলতে পারছেন না প্রায়ই; এ অবস্থায় জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়েছিলেন। সে ম্যাচে জয়ের পর তাঁর সতীর্থরা এক ব্যানার নিয়ে এসেছিলেন, ‘ওয়েলস, গলফ, মাদ্রিদ। প্রাধান্যের তালিকাটা এমন।’ মাদ্রিদের চেয়ে গলফ বেলের কাছে প্রাধান্য বেশি পায়, এমন কথা রসিকতার সুরে বলা হলেও সমর্থকদের ক্ষোভ আরও বেড়েছিল।

জিনেদিন জিদানের অধীন বেলের ক্যারিয়ার এরপর প্রায় থেমেই গিয়েছিল। গত মৌসুমে তাঁকে টটেনহামে পাঠায় রিয়াল। এ মৌসুমে কার্লো আনচেলত্তি কোচ হওয়ায় ভাবা হয়েছিল, এবার অন্য রূপে দেখা যাবে তাঁকে। চুক্তির শেষ বছরে এসে জ্বলে উঠবেন ৩২ বছর বয়সী উইঙ্গার। আনচেলত্তির অধীন শুরুটা ভালোই হয়েছিল। তিন ম্যাচ খেলে একটা গোলও করেছেন। কিন্তু গত ২৮ আগস্ট রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে সেই যে চোট পেয়েছেন, আর মাঠে নামা হয়নি।

default-image

এখন পর্যন্ত যা খবর, নভেম্বরের আগে তাঁর মাঠে নামার কোনো সম্ভাবনা নেই। চোটের কারণে ফুটবল না খেললেও তাঁর ভালোবাসার গলফের ব্যস্ততা কমেনি। সপ্তাহান্তের স্প্যানিশ ওপেনে উপস্থিত হয়েছিলেন বেল। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, রিয়াল মাদ্রিদের সেরা গলফার কে? উত্তরে নিজের নামই বলেছেন বেল, ‘রিয়াল মাদ্রিদে মাত্র দুজন গলফ খেলে, তাই কোনো সন্দেহ নেই, আমিই দলের ১ নম্বর গলফার। আরেকজন হলো থিবো কোর্তোয়া। কিন্তু সে আমার চেয়ে ভালো নয়।’

রিয়াল মাদ্রিদে গত তিনটি বছর খুব বাজে কেটেছে তাঁর। সান্তিয়াগো বার্নাব্যু–ভর্তি দর্শক তাঁকে দুয়োও দিয়েছেন খেলায় অসন্তুষ্ট হয়ে। কিন্তু এমন বৈরী পরিস্থিতিও নাকি তাঁকে অতটা চাপে ফেলে না, যতটা চাপে ফেলে গলফ, ‘যখন আশপাশে কোনো গলফ টুর্নামেন্ট হয়, আমি দেখতে যাই। এই আবহ, ভিড়, আবহাওয়া দারুণ লাগে। আর তাঁরা এত দারুণ খেলেন! এই চাপের মধ্যেও এত ভালো খেলেন, অবিশ্বাস্য। ফুটবল এ ক্ষেত্রে ভিন্ন। সেখানেও চাপ আছে, কিন্তু সেখানে একজন রেফারিও থাকে। এদিক থেকে গলফ অনেক বেশি মানসিক দক্ষতার খেলা। ৮০ হাজার দর্শকের সামনে খেলার চেয়ে এখানে আমি বেশি চাপ অনুভব করি।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন