বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গতকাল ২ মিনিটেই রেনাতো সানচেজের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল পর্তুগাল। ৩৩ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরান দুসান তাদিচ। এতেও অবশ্য সমস্যা ছিল না পর্তুগালের। কিন্তু কাল ড্র হলেও চলে, এটা জানাটাই হয়তো কাল হলো তাদের জন্য। খেলায় কোনো প্রাণ ছিল না, আর ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে (৯০ মিনিটে) গোল করে বসেন আলেক্সান্দর মিত্রোভিচ। আর তাতেই কপাল পোড়ে পর্তুগালের।

এমন এক হারের পর কোচ সান্তোসের চাকরি নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেছে। ২০১৬ ইউরো জয়ের পর আরও দুর্দান্ত একটি প্রজন্ম পেয়েছে পর্তুগাল। কিন্তু সান্তোসের অধীন পর্তুগালের খেলায় সে ছাপ কখনো দেখা যায়নি। ২০১৮ বিশ্বকাপ বা ২০২০ ইউরোতে পর্তুগাল হতাশ করেছে। এবার তো বিশ্বকাপ ভাগ্যই সুতায় ঝুলছে।

default-image

ম্যাচ শেষে সান্তোস অবশ্য ভরসা দিয়েছেন, ‘আমরা কাতারে থাকব। আমরা জানি, যা করা উচিত ছিল তা করিনি, কিন্তু আমরা থাকব। আমরা সব সময় জেতার জন্য খেলি এবং আক্রমণের মুহূর্ত নিয়ে ভাবি। কিন্তু সব সময় যা চাই, তা হয় না। এটা আমার দায়।’

এমন দায় নিয়ে অবশ্য সরে যাবেন সান্তোস, এমন কোনো ইঙ্গিত দেননি। বরং কাল হারের অজুহাত খুঁজে নিয়েছেন, ‘মনে হচ্ছিল হয়ে যাবে (বিশ্বকাপ নিশ্চিত হবে), কিন্তু হলো না। শুরুতে ভালোই খেলেছি কিন্তু এরপর একটু বেশিই নিচে খেলেছি। খেলোয়াড়রা চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমরা জ্বলে উঠিনি। যখন ভালো করেছি, প্রতিপক্ষের সমস্যা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ সময় তা করতে পারিনি। সার্বিয়াই ভালো খেলেছে, আমরা চেষ্টা করেছি। আমাদের ডিএনএতেই আছে বল পায়ে রেখে খেলা, বের্নার্দো সিলভা সেটা করতে চেয়েছে। কিন্তু একমাত্র সে-ই এটা করতে চাইছিল। আমরা ভয় ও দুশ্চিন্তা নিয়ে খেলেছি। এটা আমার দায়।’

default-image

মজার ব্যাপার হলো যে সিলভাই একমাত্র বল পায়ে রাখতে চেয়েছেন, তাঁকেই ৬৪ মিনিটে মাঠ থেকে তুলে নিয়েছিলেন সান্তোস। জোয়াও ফেলিক্সের মতো গতিময় ফুটবলারকে ৮৩ মিনিট পর্যন্ত বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছেন। এসব সিদ্ধান্তই পর্তুগালের কোচের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

কালকের এ হারে পর্তুগালের বিশ্বকাপ ভাগ্য জানতে জানতে মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইউরোপ অঞ্চলের ১০ গ্রুপের ১০ রানার্সআপ ও নেশনস লিগে ভালো করেছে কিন্তু বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব পার হতে পারেনি এমন শীর্ষ দুই দলকে নিয়ে হবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ। ১২ দলকে তিন গ্রুপে ভাগ করে দেওয়া হবে। চারটি দলের মধ্যে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মাধ্যমে একটি বিজয়ী খুঁজে নেওয়া হবে। এভাবে তিন গ্রুপ থেকে তিন দল যাবে কাতার বিশ্বকাপে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন