default-image

ফাইনালে উঠতে ইন্টার মিলানের দরকার ছিল দুই গোলের। সে দুই গোল পেতে হাপিত্যেশ করে মরল নেরাজ্জুরিরা। দাঁড়িয়ে গেলেন জুভেন্টাসের দুই তরুণ সেন্টারব্যাক মেরিহ দেমিরাল ও ম্যাটাইস ডে লিখট। আর তাতেই প্রথম লেগে পাওয়া জয়ের সুফল নিয়ে ফাইনালে পা রেখেছে জুভেন্টাস।

প্রথম লেগে মিলানের মাঠ থেকে ২-১ গোলের জয় নিয়ে এসেছিল জুভেন্টাস। জোড়া গোল করেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার লাওতারো মার্তিনেজের সুবাদে এক গোল করেছিল ইন্টারও। গত রাতে তাই ফাইনালে উঠতে হলে দুই গোল করাই লাগত ইন্টারের। কাগজে-কলমে অন্তত সেই লক্ষ্যে কিন্তু ইন্টারকে বেশ প্রস্তুতই মনে হচ্ছিল।

কোচের পছন্দের ৩-৫-২ ছকে নেমেছিল ইন্টার। নেমেছিলেন দলের মূল স্ট্রাইকিং জুটি লাওতারো আর রোমেলু লুকাকু। ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন, নিকোল বারেল্লা, আশরাফ হাকিমির মতো ফর্মে থাকা খেলোয়াড়েরাও মূল একাদশে ছিলেন। কিন্তু জুভেন্টাস যে গোল না খাওয়ার পণ করেই মাঠে নেমেছিল!

ফাইনালে নাপোলি কিংবা আতালান্তার মধ্যে যেকোনো এক দলের বিপক্ষে নামবে জুভেন্টাস। প্রথম লেগে নাপোলি-আতালান্তাও গোলশূন্য ড্র করেছে। দ্বিতীয় লেগে যে জিতবে, ফাইনালে জুভেন্টাসের মুখোমুখি হবে তারাই।

default-image
বিজ্ঞাপন

নিরুত্তাপ এই ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়েছেন ইন্টার মিলানের কোচ আন্তোনিও কন্তে। আগে জুভেন্টাসের কোচ ছিলেন এই ভদ্রলোক। গত দশকে জুভেন্টাসের আধিপত্যের শুরুটা হয়েছিল তাঁর হাত ধরেই। এরপর জুভেন্টাস ছেড়ে ইতালি জাতীয় দল, চেলসি ঘুরে এবার নাম লিখিয়েছেন সাবেক ক্লাবের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইন্টারে। ইন্টারে যোগ দিতে না দিতেই জুভেন্টাস কর্তাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা যে তলানিতে ঠেকেছে, সেটা বোঝা গেছে গত রাতের ম্যাচের প্রথমার্ধের পর। প্রথমার্ধ শেষে ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় জুভেন্টাসের সভাপতি আন্দ্রেয়া আগনেল্লির দিকে উদ্দেশ করে মধ্যমা প্রদর্শন করেন কন্তে। তা দেখে তেড়েফুড়ে নিচে নেমে আসেন আগনেল্লি।

দুই লেগ মিলিয়ে সাবেক গুরু কন্তেকে হারানোটা জুভেন্টাস কোচ আন্দ্রেয়া পিরলোর কাছে সুমধুর এক স্মৃতি হিসেবেই থাকবে। হাজার হোক, এককালে এই জুভেন্টাসে কন্তের অধীনে খেলেই নিজের ক্যারিয়ার বাঁচিয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার, জুভেন্টাসকেও দেখিয়েছিলেন সাফল্যের আলো!

default-image

নিরুত্তাপ এই ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়েছেন ইন্টার মিলানের কোচ আন্তোনিও কন্তে। আগে জুভেন্টাসের কোচ ছিলেন এই ভদ্রলোক। গত দশকে জুভেন্টাসের আধিপত্যের শুরুটা হয়েছিল তাঁর হাত ধরেই। এরপর জুভেন্টাস ছেড়ে ইতালি জাতীয় দল, চেলসি ঘুরে এবার নাম লিখিয়েছেন সাবেক ক্লাবের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইন্টারে। ইন্টারে যোগ দিতে না দিতেই জুভেন্টাস কর্তাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা যে তলানিতে ঠেকেছে, সেটা বোঝা গেছে গত রাতের ম্যাচের প্রথমার্ধের পর। প্রথমার্ধ শেষে ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় জুভেন্টাসের সভাপতি আন্দ্রেয়া আগনেল্লির দিকে উদ্দেশ করে মধ্যমা প্রদর্শন করেন কন্তে। তা দেখে তেড়েফুড়ে নিচে নেমে আসেন আগনেল্লি।

দুই লেগ মিলিয়ে সাবেক গুরু কন্তেকে হারানোটা জুভেন্টাস কোচ আন্দ্রেয়া পিরলোর কাছে সুমধুর এক স্মৃতি হিসেবেই থাকবে। হাজার হোক, এককালে এই জুভেন্টাসে কন্তের অধীনে খেলেই নিজের ক্যারিয়ার বাঁচিয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার, জুভেন্টাসকেও দেখিয়েছিলেন সাফল্যের আলো!

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন