default-image

পাওলো দিবালা

এই আর্জেন্টাইনকে ২০১৯ সালেই চেয়েছিলেন সে সময়কার ইউনাইটেড কোচ উলে গুনার সুলশার। কিন্তু দিবালা তখন জুভেন্টাস ছাড়তে চাননি। তিন বছর পর সেই দিবালা এখন ক্লাবহীন। তাঁকে পেতে আগ্রহী অনেক ক্লাব। আয়াক্স থেকে ব্রাজিলিয়ান আন্তনিকে নিতে চাইছে ইউনাইটেড। কিন্তু আয়াক্স যদি কোনোভাবেই তাঁর দাম কমাতে না চায়, সে ক্ষেত্রে বাঁ পায়ের আরেক খেলোয়াড় দিবালা হতে পারেন সেরা বিকল্প। হাজার হলেও মুফতেই যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে তাঁকে।

হ্যারি কেইন

গত মৌসুমে খুব করে টটেনহাম ছাড়তে চেয়েছিলেন কেইন, ম্যানচেস্টার সিটিও পেতে চেয়েছিল তাঁকে। কিন্তু দলবদলের অঙ্কে কোনোভাবেই টটেনহামকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি সিটি। এই মৌসুমে আর সে পথে হাঁটার উপায় নেই কেইনের। আরলিং হরলান্ড ও হুলিয়ান আলভারেজ—দুজন স্ট্রাইকার কিনে রেখেছে সিটি। ওদিকে কেইনকে বহুদিন ধরেই চাইছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে কেইন এখন আর ইউনাইটেডে যেতে চাইবেন কি না, সেটাই প্রশ্ন। গত মৌসুমে আন্তোনিও কন্তের অধীনে দুর্দান্ত খেলে চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা করে নিয়েছে টটেনহাম। ওদিকে ইউনাইটেড এই মৌসুমে খেলবে ইউরোপা লিগে।

default-image

নেইমার

নেইমারকেও বহুদিন ধরে চোখে চোখে রেখেছে ইউনাইটেড। কিন্তু বার্সেলোনা ও পিএসজির জার্সিতে আলো ছড়ানো এই ফরোয়ার্ডকে কখনো দলে টানার ব্যাপারে সফল হতে পারেনি। এখন পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। পিএসজি কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ঘিরেই ভবিষ্যৎ সাজাচ্ছে, নেইমারকে ছেড়ে দিতে চাইছে। নেইমারও নাকি নিজের নতুন গন্তব্য নিয়ে ভাবছেন। তবে এরিক টেন হাগের দলের হাই-প্রেসিং পদ্ধতির সঙ্গে নেইমার মানাতে পারবেন কি না, সে প্রশ্নটাও জাগে।

ট্যামি আব্রাহাম

চেলসিতে পর্যাপ্ত সুযোগ মিলছিল না, এমন এক স্ট্রাইকারকে ৪ কোটি ইউরোতে এএস রোমায় নিয়ে গেছেন জোসে মরিনিও। সিদ্ধান্তটা যে কতটা সঠিক ছিল, প্রথম মৌসুমেই ২৭ গোল করে সেটা প্রমাণ করে দিয়েছেন আব্রাহাম। যদিও মরিনিওর ধারণা, এখনো নিজের সামর্থ্যের পুরোটা দেখাতে পারেননি ইংলিশ স্ট্রাইকার। ইংল্যান্ড দলের কোচ গ্যারেথ সাউথগেটও মনে করেন, হ্যারি কেইনের যোগ্য উত্তরসূরি আব্রাহাম। কেইনকে দলবদলে রাজি করাতে না পারলে আব্রাহামের কথা ভাবতেই পারে ইউনাইটেড।

default-image

ডমিনিক কালভার্ট-লুইন

আরেক ইংলিশ স্ট্রাইকার। গত মৌসুমটায় খুব একটা ভালো করেননি এভারটনের ‘নাম্বার নাইন’। কিন্তু ২০২০–২১ মৌসুমে কার্লো আনচেলত্তির অধীনে স্বাধীনতা পেয়ে যে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়েছিলেন, তাতে তাঁকে নিয়ে বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহ থাকাই স্বাভাবিক। তবে এই মৌসুমেই আক্রমণভাগের রিচার্লিসনকে বিক্রি করা এভারটন কালভার্ট-লুইনকে সহজে ছাড়তে চাইবে না এভারটন।

মার্কাস রাশফোর্ড ও অ্যান্থনি মার্শিয়াল

কোনো অর্থ ব্যয় না করেই বিকল্প খুঁজে নিতে পারে ইউনাইটেড। ক্লাবে থাকা দুই ফরোয়ার্ড যদি অবশেষে নিজেদের পাশে থাকা ‘প্রতিশ্রুতিশীল’ উপাধিকে পূর্ণতা দিতে পারেন আরকি! ২০১৫-১৬ মৌসুম থেকে ইউনাইটেডের জার্সিতে দেখা যাচ্ছে রাশফোর্ডকে। একসময় ক্লাবের ভবিষ্যৎ ভাবা হচ্ছিল তাঁকে। কিন্তু একের পর এক কোচের বদল, নিজের পছন্দের অবস্থানে খেলতে না পারা এবং নিজের ব্যর্থতা মিলিয়ে রাশফোর্ড নিজেকে সময়ের সেরাদের কাতারে নিতে পারেননি।

রাশফোর্ড তবু ইউনাইটেডের হয়ে মনে রাখার মতো কিছু মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন, কিন্তু মার্শিয়াল? এক ডাচ কোচ লুইস ফন গাল তাঁকে ইউনাইটেডে টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফন গালের বিদায়ের পর ধীরে ধীরে ব্রাত্য হয়ে পড়েছেন, গত মৌসুমে শেষ ভাগে ধারে খেলেছেন সেভিয়াতে। প্রাক্‌–মৌসুমে অবশ্য আবার ফিরেছেন ইউনাইটেডে। ক্লাবে আবার এক ডাচ কোচ এসেছেন। তাঁর অধীনে কি ঝিমিয়ে পড়া ক্যারিয়ারটা জাগিয়ে তুলতে পারবেন ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড?

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন