বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ম্যাচ এগোতে থাকে, লেফানডফস্কির পা থেকে গোল আর আসে না। সাত মিনিটে জার্মান ফরোয়ার্ড টমাস মুলার গোল পেলেন, ৫৭ মিনিটে গোল পেয়ে গেলেন ফরাসি ডিফেন্ডার দায়োত উপামেকানো, তার দুই মিনিট পর গোলের খাতায় নাম লেখালেন জার্মান উইঙ্গার লিরয় সানেও। বায়ার্ন যে জিতছে, ততক্ষণে সবাই নিশ্চিত। কিন্তু লেভানডফস্কি যে গোল পাচ্ছিলেন না! যে কারণে সবার অপেক্ষা করে থাকা!


অবশেষে সেই সুবর্ণ মুহূর্তটা এলো। ম্যাচ শেষ হওয়ার ঠিক চার মিনিট আগে রক্ষণভাগ থেকে মাঝমাঠে উঠে এসে লম্বা পাস পাঠালেন ফরাসি সেন্টারব্যাক উপামেকানো। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পাশে ওত পেতে থাকা লেভানডফস্কির দিকে পাস দিলেন তরুণ জার্মান ফরোয়ার্ড জামাল মুসিয়ালা। সেখান থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল করে সব অপেক্ষার অবসান ঘটান ‘লেভা’।

নিশ্চিত হয়ে যায়, লিগে এক পঞ্জিকাবর্ষে ৪২ গোল হয়ে গেছে তাঁর। ৪১ গোল করে আগের রেকর্ডটা ছিল সাবেক জার্মান ও বায়ার্ন কিংবদন্তি জার্ড মুলারের। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে ৬৯ গোল হয়ে গেল লেভানডফস্কির।

এর আগে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ৬৯ গোল করেছিলেন, ২০১৩ সালে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। রোনালদোর সমান গোল করতে অবশ্য একটা ম্যাচ কম লেগেছে লেভানডফস্কির (৫৮)। অবশ্য রোনালদো দাবি করতে পারেন, তিনি দুটি গোল বেশি করিয়েছিলেন। লেভা গোল করিয়েছেন ১৩টি, রোনালদো ২০১৩ সালে ৬৯ গোলের পাশে গোল করিয়েছিলেন ১৫টি।

default-image

কিন্তু রোনালদোকে ছোঁয়া হলেও মেসি থেকে গেছেন লেভার ধরাছোঁয়ার বাইরে। অবশ্য ২০১২ সালে বার্সেলোনার হয়ে মেসির ৯১ গোলের রেকর্ডটা আদৌ আর কেউ স্পর্শ করতে পারবেন কি না, কে জানে! সেবার ৬৯ ম্যাচে ৯১ গোলের পাশাপাশি ২২টি গোল সতীর্থদের দিয়েও করিয়েছিলেন মেসি!


এ নিয়ে টানা তিন বছর ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন লেভানডফস্কি। ২০১৯ আর ২০২০ সালে গোল করেছিলেন যথাক্রমে ৪৮ আর ৪৫ গোল। গত বছরের চেয়ে এবার আরও দুই ডজন বেশি করলেন!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন