জুভেন্টাসে যেতে চাইলে পরীক্ষায় বসতে হবে সুয়ারেজকে।
জুভেন্টাসে যেতে চাইলে পরীক্ষায় বসতে হবে সুয়ারেজকে।ছবি: রয়টার্স

লুইস সুয়ারেজকে পছন্দ নয় রোনাল্ড কোম্যানের। উরুগুইয়ান স্ট্রাইকারকে সময় থাকতে বার্সেলোনা ছাড়তে বলেছেন নতুন কোচ। বার্সেলোনায় গুরুত্ব হারাতে পারেন কিন্তু বিশ্ব ফুটবলে তো আর দাম অত কমেনি সুয়ারেজের। এক ইউরোপিয়ান পরাশক্তি থেকে আরেক পরাশক্তিতে যাওয়ার সুযোগ এসেছে সুয়ারেজের সামনে। দীর্ঘ ছয় বছর লিওনেল মেসির সঙ্গী ছিলেন, এবার জুভেন্টাসে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে জুটি গড়ার সুযোগ তাঁর সামনে।

বিজ্ঞাপন
default-image

ইতালিতে নতুন ক্লাবে কত বেতন পাবেন, সেটাও পত্রিকার সংবাদ হয়ে গেছে। কিন্তু জুভেন্টাসে যাওয়ার পথে এখনো কিছু বাধা অতিক্রম করতে হবে সুয়ারেজ। বার্সেলোনা ও জুভেন্টাসের মধ্যে সমঝোতার কাজটা তাঁর এজেন্টই করবেন। কিন্তু একটা কাজ সুয়ারেজকেই করতে হবে। ইতালিয়ান ভাষা একটু হলেও বলতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করতে হবে তাঁকে। আর তা নিশ্চিত করতে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে সুয়ারেজকেই।

বিজ্ঞাপন

স্ত্রী সোফিয়া বালবির ইতালির পাসপোর্ট আছে। ফলে ইতালিতে গিয়ে খুব বেশি ঝামেলা পোহাতে হবে না। কিন্তু ইউরোপিয়ান খেলোয়াড় কোটায় থাকতে হলে সুয়ারেজকে ভাষা পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। ‘বি ওয়ান’ পরীক্ষায় অন্তত ৮ পেতে হবে সুয়ারেজকে। এই পরীক্ষায় ইতালিয়ান ভাষায় যোগাযোগ করতে পারার ক্ষমতা প্রকাশ করতে হয়। কয়েক ভাগে বিভক্ত এই পরীক্ষা। প্রথমে ভাষা শুনে বুঝতে পারার পরীক্ষা হয়, এর পর বলতে পারার দক্ষতা দেখা হয় এবং সবশেষে লিখতে হয় পরীক্ষার্থীকে। এরপর ব্যাকরণের পরীক্ষাও দিতে হয়। ৪০ মিনিটের লিখিত পরীক্ষাতেও বসতে হবে সুয়ারেজকে। সেখানে আবার ব্যাকরণে ভুল পরীক্ষা করা হয়। অর্থাৎ পেশাদার ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত পর্যায়ে ওঠার পরও স্কুল শিক্ষার্থীদের মতো পরীক্ষা দিতে হবে সুয়ারেজকে।

বিজ্ঞাপন

সুয়ারেজকে এই ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে জুভেন্টাসই। কারণ, এক দলবদলে ইউরোপের নাগরিক নন, এমন সর্বোচ্চ দুজন খেলোয়াড় কিনতে পারে ইতালিয়ান দলগুলো। জুভেন্টাস এই দলবদলে এরই মাঝে এমন দুজন খেলোয়াড় নিয়ে ফেলেছে। তাই, সুয়ারেজকে এ পরীক্ষায় পাশ করে ইতালিয়ান পাসপোর্ট পাওয়ার কাজটা এগিয়ে নিতে হচ্ছে।

মন্তব্য পড়ুন 0