বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কিন্তু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সেটা হতে দেবেন কেন? বহুদিন পর ইউনাইটেডের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ খেলতে নামার অভিজ্ঞতাটাকে অসাধারণভাবে রাঙিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। শেষ মুহূর্তে গোল করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে পুরো তিন পয়েন্ট এনে দিয়েছেন। তাঁর শেষ মুহূর্তের গোলেই ভিয়ারিয়ালকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। আর গোলে সহায়তা? জেসি লিনগার্ডের!

ইউনাইটেডের খেলা দেখতে আজ মাঠে উপস্থিত ছিলেন দলটার কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন। শুধু তাই-ই নয়, মাঠে এসেছিলেন পাঁড় ইউনাইটেড ভক্ত, বিখ্যাত দৌড়বিদ উসাইন বোল্টও। রোনালদো হতাশ করেননি তাঁদের।

শুধু তাই নয়, সাবেক সতীর্থ ইকার ক্যাসিয়াসকে সরিয়ে আজই এককভাবে চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন রোনালদো। ক্লাব ক্যারিয়ারে খেলে ফেলেছেন ৯০০ ম্যাচ। এমন সব উপলক্ষ্যগুলোকে রোনালদো গোল করে রাঙাবেন না, তা কী ভাবা যায়!

এই ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে গত ইউরোপা লিগের ফাইনালে খেলতে নেমেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সে ম্যাচে রোনালদো না থাকলেও, এই ম্যাচে ছিলেন। আর রোনালদো দলে থাকলে যে হারার আগে হার মানতে নেই, সেটাই আরেকবার বোঝালেন এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল ভিয়ারিয়ালই। ৫৩ মিনিটে ডাচ উইঙ্গার আরনট দানজুমার সহায়তায় গোল করেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার পাকো আলসাসের। এর ঠিক সাত মিনিট পরেই সমতায় ফেরে ইউনাইটেড। ব্রুনো ফার্নান্দেসের সহায়তায় দলকে সমতায় ফেরান ব্রাজিলিয়ান লেফটব্যাক অ্যালেক্স তেয়েস।

ড্র-কেই যখন মনে হচ্ছিল নিয়তি, তখনই মঞ্চে আবির্ভাব রোনালদোর। এ ম্যাচে আর রোনালদোকে আগে আগে উঠিয়ে নেওয়ার ভুল করেননি সুলশার। বাঁ প্রান্ত থেকে লেফটব্যাক তেয়েসের এক ক্রস হেড করে লিনগার্ডের উদ্দেশ্যে নামিয়ে দেন রোনালদো। গোলকিপার রুয়িকে এগিয়ে আসতে দেখে আবারও রোনালদোকে পাস দেন লিনগার্ড। এরপর গোল দেওয়ার কাজটা রোনালদোই করেন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন