default-image

লিগের আগের দুই ম্যাচে বড় ধাক্কা খেয়েছে জুভেন্টাস। দুই ম্যাচ থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পেয়ে লিগের শীর্ষস্থান খুইয়েছে। আর লাৎসিওর বিপক্ষে ৩-১ গোলের হার তো সারির কোচিং নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। সে প্রশ্নের উত্তর দিতেই হয়তো আজ প্রথমবারের ম্যাচের প্রথম থেকেই নামানো হলো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, গঞ্জালো হিগুয়েইন ও পাওলো দিবালাকে। ফল মিলতে একসমই সময় লাগেনি। ঘরের মাঠে উদিনেসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে অন্তত কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে জুভেন্টাস।

ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই জুভেন্টাসের দাপট টের পাওয়া গেছে। দিবালার সুবাদে পাওয়া এক বল থেকে জোরালো শটে নবম মিনিটে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন রোনালদো। রোনালদোর পরের গোলে অবদান রেখেছেন হিগুয়েইন। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের দারুণ এক বুদ্ধিদীপ্ত থ্রু বল জায়গা করে দিয়েছে রোনালদোকে। বাঁ পায়ের শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নিয়েছেন রোনালদো। ম্যাচে নিজের প্রথম দুই শট থেকেই গোল করেছেন রোনালদো। এ ত্রয়ীর সুবাদে একচ্ছত্র আধিপত্যের সুবিধা প্রথমার্ধের একদম শেষ মুহূর্তে পেয়েছে জুভেন্টাস। ডেমিরালের এক ক্রস থেকে হেড করে দলকে ৩-০ গোলের এগিয়ে দিয়েছেন বোনুচ্চি।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি কমে এসেছে জুভেন্টাসের। আর এ সুবাদে ম্যাচে ফিরেছে উদিনেস। জিয়ানলুইজি বুফনের বড় পরীক্ষাই নিয়েছে দলটি। কিন্তু একের পর এক আক্রমণ করেও ফল পাচ্ছিল না উদিনেস। কিন্তু যোগ করা সময়ে ইগনাসিও পুসেত্তোকে ঠেকানো সম্ভব হয়নি জুভেন্টাস কিংবদন্তির পক্ষে। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে হ্যাটট্রিক পেতে পারতেন রোনালদো। কিন্তু গোল পোস্ট তাঁর সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

রোনালদোর জোড়া গোলের দিন তাঁর সাবেক দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড হতাশ করেছে সমর্থকদের। নিজেদের মাঠে ৩৬ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়া ইউনাইটেডকে এক পয়েন্ট এনে দিয়েছেন একাডেমির স্ট্রাইকার ম্যাসন গ্রিনউড। এ ম্যাচ দিয়ে টানা ১২ লিগ ম্যাচে অন্তত একটি হলেও গোল খেয়েছে ইউনাইটেড। ক্লাবটির ইতিহাসে এত বাজে রক্ষণ ১৯৭১ সালের আগস্টের পর দেখা যায়নি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন