বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

জুভেন্টাসের হয়ে অনেক কিছুই অর্জন করেছেন রোনালদো। তিন মৌসুমে দুবার সিরি ‘আ’ জিতেছেন, জিতেছেন কোপা ইতালিয়া ও সুপারকোপা ইতালিয়ানা। ১৩৪ ম্যাচে ১০১ গোল করেছেন। কিন্তু তাঁকে জুভেন্টাস নিয়েছিল চ্যাম্পিয়নস লিগের খরা কাটাতে। সে কারণেই ক্লাবের আর্থিক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছিল মালিকপক্ষ। কিন্তু সে উদ্দেশ্য পূরণ না হওয়ায় এবং করোনাকালে আর্থিক দুর্দশা সামলাতে না পারায় জুভেন্টাস তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে।

এসব সবারই জানা। আর মাঠে কী হতো, সেটা জানালেন বোনুচ্চি। ইতালিয়ান এই ডিফেন্ডার দ্য অ্যাথলেটিককে বলেছেন, ‘সমস্যাটা হলো, এই যে চিন্তা, একজন খেলোয়াড়, তিনি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হলেও জুভেন্টাসকে জয় এনে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন। রোনালদোর উপস্থিতি আমাদের ওপর অনেক প্রভাব রেখেছিল। তাঁর সঙ্গে অনুশীলন করাটাই আমাদের বাড়তি কিছু দিত। কিন্তু অবচেতন মনে খেলোয়াড়েরা ভাবতে শুরু করেছিল, তিনি একাই আমাদের ম্যাচ জেতাতে যথেষ্ট।’

default-image

এটা জুভেন্টাসের কীভাবে ক্ষতি করেছে, সেটাও জানিয়েছেন বোনুচ্চি, ‘দিনের কাজে ফাঁকি দেওয়া শুরু করেছিলাম। দিনের পর দিন সতীর্থের কাজে লাগার জন্য যে পরিশ্রম, বিসর্জন আর ইচ্ছা দরকার হয়, সেটা কমে যাচ্ছিল। গত কয়েক বছরে এটা টের পাওয়া যাচ্ছিল।’

জুভেন্টাসের হয়ে অনেক দুর্দান্ত মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন রোনালদো। একাই আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে নকআউট পর্বে জয় এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু বোনুচ্চির ধারণা,তাঁরা যে সাফল্য পেয়েছেন, সেটা রোনালদো একা এনে দেননি। সাফল্যের জন্য সতীর্থরা রোনালদোর ওপর যতটা নির্ভর করতেন, রোনালদোও নাকি সতীর্থদের ওপর ততটাই নির্ভরশীল ছিলেন।

default-image

কীভাবে? ব্যাখ্যায় বোনুচ্চি বলেছেন, ‘গত মৌসুমে আমরা লিগে চতুর্থ হয়েছি। কিন্তু কোপা ইতালিয়া জিতেছি, কারণ, আমরা আবার একটা দল হয়ে উঠেছি। ড্রেসিংরুমে যদি একটা কাঠ ছুড়ে মারত কেউ, তাহলে নির্ঘাত তাতে আগুন ধরে যেত, সবাই এতটাই উত্তেজিত ছিলাম। আমরা এটার অভাবে ভুগছিলাম। আমরা হয়তো ধরেই নিয়েছিলাম, রোনালদোকে বল দিলেই সে ম্যাচ জিতিয়ে আনবে। কিন্তু আমাদের যেমন তাঁকে দরকার ছিল, তাঁরও আমাদের সাহায্য দরকার হতো। এখানে একটা আদান–প্রদানের ব্যাপার থাকতেই হয়। কারণ, দলই একজনকে আলাদা করে চূড়ায় তোলে, সে একজন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হলেও।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন