বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

১২ বছর পর ঘরে ফেরাটা দুর্দান্ত হয়েছে রোনালদোর। নিজে দুটি গোল করে ফেরাটা স্মরণীয় করেছেন। দলও ৪-১ গোলের বড় জয় পেয়েছে। এমন উজ্জ্বল এক দিন ওল্ড ট্রাফোর্ডে গ্যালারি থেকে দেখেন ফার্গুসন। ভায়াপ্লেকে ফার্গুসন বলেছেন, ‘রোনালদোকে ইউনাইটেডে ফেরানোর ব্যাপারে অনেকেই ভূমিকা রেখেছে। সে এখানে আসতে চায়, এটা জেনে আমিও কিছু অবদান রেখেছি এবং সেটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

default-image

জুভেন্টাস থেকে রোনালদোর বিদায় নিশ্চিত হয়েই গিয়েছিল। শুধু কোথায় যাচ্ছেন, সেটা নিয়ে ছিল কৌতূহল। ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে কথা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রোনালদোর জন্য দলবদলের কোনো অঙ্ক দিতে রাজি হচ্ছিল না সিটি। জুভেন্টাসও তাঁকে মুফতে ছাড়তে রাজি হচ্ছিল না। পরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড শর্ত সাপেক্ষে ২ কোটি ৩০ লাখ ইউরো দিয়ে রোনালদোকে নিয়ে গেছে।

default-image

দলবদলের শেষ দিকে এসে এভাবে রোনালদোকে কেনার সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছে, সেটা বলেছেন ফার্গুসন, ‘আমি বলব না এটা আবেগময় কোনো সিদ্ধান্ত। এটা রোমাঞ্চকর এবং কিছুটা হলেও স্বস্তিদায়ক, কারণ ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলছে এটা কল্পনাও করতে পারছি না। আমার মনে হয় না কেউই পারবে। এ কারণেই ও যেন এখানে আসে, সে ব্যবস্থা নিয়েছি আমরা। ক্লাব ওকে রাজি করাতে দারুণ কাজ দেখিয়েছে। আমি গ্লেজারদের (ক্লাবের মালিকপক্ষ) সঙ্গে কথা বলেছি এবং এরপর এটা হয়ে গেল। আমার ধারণা, তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর ভালো প্রভাব রাখবে সে। বিভিন্ন পরিস্থিতি সামলানোর অভিজ্ঞতা আছে ওর।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন