default-image

করোনা পরিস্থিতি অবনমন ঘটায় আবার লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আগামীকাল শুরু হয়ে লকডাউন চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রয়োজনে সেটি বাড়ানো হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। এর ফলে ঢাকায় ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় এএফসি কাপের প্লে–অফে আবাহনী লিমিটেডের ম্যাচটি মাঠে গড়ানো নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশে পুনরায় শুরু হওয়া লকডাউনের বিষয়টি বাফুফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এএফসিকে।

প্লে–অফ পর্ব পেরিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে এএফসি কাপে খেলার সুযোগ আছে আবাহনীর। সে জন্য আবাহনীকে পাড়ি দিতে হবে দুটি ধাপ। সূচি অনুযায়ী প্রথম ধাপটি ১৪ এপ্রিল। ঢাকায় আকাশি-নীলদের প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে ৭ এপ্রিল। সেদিন ভুটানের থিম্পু সিটি ও মালদ্বীপের ইগলসের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলকেই পাবে আবাহনী। কিন্তু লকডাউনের কারণে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত হবে কি না, এই নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
default-image

এই ব্যাপারে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম বলেন, ‘১৪ এপ্রিল দেশের মাটিতে আবাহনীর এএফসি কাপের খেলা ছিল। সে ম্যাচ আমাদের পক্ষে একপ্রকার আয়োজন করা অসম্ভব। যেহেতু ১২ তারিখ পর্যন্ত লকডাউন দেওয়া হয়েছে। যাতায়াতের নিষেধাজ্ঞা আছে। এই বিষয়গুলো এএফসিকে অবহিত করা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতিতে ১৪ তারিখের ম্যাচটি সম্ভবত আমাদের পক্ষে আয়োজন করা সম্ভব হবে না।’ ম্যাচটি জিতলে প্লে–অফ পর্বে আবাহনীর দ্বিতীয় ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল ২১ এপ্রিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচ না হলে দ্বিতীয় ম্যাচের প্রশ্নই তো ওঠে না।

এ ছাড়া লকডাউনের কারণে চলমান ঘরোয়া ফুটবলের চলমান টুর্নামেন্টগুলো স্থগিত করেছে বাফুফে। মেয়েদের লিগের সঙ্গে বর্তমানে চলছিল ছেলেদের চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ ও তৃতীয় বিভাগ, যা লকডাউন শেষ হওয়ার ন্যূনতম সাত দিন পর পুনরায় শুরু হবে বলে ক্লাবগুলোকে জানিয়ে দিয়েছে বাফুফে। কিন্তু চলমান প্রিমিয়ার লিগে মধ্যবর্তী দলবদলের সূচি পরিবর্তন করা হবে কি না, এই ব্যাপারে ফিফার পরামর্শ চেয়েছে বাফুফে। আবু নাঈম বলেন, ‘গতকাল যখন আমরা বুঝতে পারলাম এ রকম একটা পরিস্থিতির (লকডাউন) মধ্যে পড়তে যাচ্ছি। তখন আমরা ফিফার কাছে চিঠি লিখে জানতে চেয়েছি এটা (দলবদলের সূচি) বাড়ানো যায় কি না বা কী করব? ৫ তারিখের মধ্যে যেন বিষয়টি জানানো হয়, সেটি ফিফাকে বলা হয়েছে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন