বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ম্যাচের বাকি এক ঘণ্টাতেও সে গোল আর শোধ দেওয়া হয়নি নেইমারদের। ফলে থভিনের গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারক হয়ে ওঠে।

লিগের প্রথম দুই ম্যাচেই হারল পিএসজি, সংবাদমাধ্যমে ঝড় তোলার জন্য এটুকুই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু নেইমাররা আরও বড় এক ঝড় তুললেন। দুই আর্জেন্টাইন দারিও বেনেদেত্তো ও পিএসজির লিয়েন্দ্রো পারেদেসের মধ্যকার ঝামেলা পুরো দলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। নেইমার এ তুলকালামের মধ্যমণি ছিলেন। একপর্যায়ে আলভারো গঞ্জালেজের মাথার পেছনে মারেন নেইমার। লেভিন কুরজায়া ও মার্শেইয়ের জর্ডান আমাভিও বেশ শৌর্যবীর্য দেখিয়েছেন মারামারির একপর্যায়ে। ফলে বেনেদেত্তো, পারেদেস, কুরজায়া, আমাভিকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। এই দুই জোড়ার সঙ্গে নেইমারের নামটাও যোগ করে নেন রেফারি।

গঞ্জালেজের মাথার পেছনে আঘাত করায় শাস্তি মিললেও নেইমারের দাবি, বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করেছেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। আর এ কারণেই এতটা খেপে গিয়েছিলেন নেইমার। টুইট করে সেটা জানিয়েও দিয়েছেন, ‘আমার একটাই দুঃখ, এই বদমাশকে চর মারলাম না কেন।’ এরপরই সব ক্ষোভ ঢেলে দিয়েছেন আরেক টুইটারে, ‘ভিএআর আমার আগ্রাসী আচরণ খুব সহজেই খুঁজে পেল... ওই বর্ণবিদ্বেষী যে আমাকে (বাঁদর) বলে গালি দিল এখন আমি সে ছবিও দেখতে চাই... আমি এখন সেটা দেখতে চাই। কী হলো? আমাকে ঠিকই শাস্তি দেওয়া হলো। আমাকে বের করে দেওয়া হলো...ওদের শাস্তি হবে না? কী ব্যাপার?’

default-image

নেইমারের জাতিবিদ্বেষী অভিযোগ মানতে পারেননি মার্শেইয়ের কোচ আন্দ্রে ভিয়াস-বোয়াস। তাঁর দাবি একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এমন ভুল করতে পারেন না, ‘আমার মনে হয় না (এমন কিছু ঘটেছে), কারণ আলভারো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। ফুটবলে জাতিবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই কিন্তু আমার মনে হয় না এটা ঘটেছে। নেইমার ম্যাচের শেষের ওই ঘটনায় একটু বিরক্ত বলে এমন বলছে। আমি আশা করব সবার মনোযোগ এ জয় থেকে সরে যাবে না। আমরা তো ডি মারিয়াকেও দেখলাম আমাদের এক খেলোয়াড়ের গায়ে থুতু মারতে। এটা ক্লাসিকো ছিল এবং আমাদের উচিত অলিম্পিক মার্শেইয়ের এই ঐতিহাসিক জয় মনে রাখা।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন