default-image

ম্যাচের প্রথমার্ধ মনে করিয়েছিল আজ কঠিন পরীক্ষা দেবে সিটি। ১৩ মিনিটে সিটি এগিয়ে যাওয়ার পরও। ফিল ফোডেনের ফ্রি কিক থেকে হেডে গোল করেছেন মিডফিল্ডার রদ্রি। কিন্তু এতেও হাল ছাড়েনি লিডস। সমর্থকেরা গ্যালারিতে সরব ছিলেন, খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিয়ে গেছে। লিডসের খেলোয়াড়েরাও ভয়ডরহীন ফুটবল খেলেছে। মনে হচ্ছিল মার্সেলো বিয়েলসা চলে গেলেও তাঁর ফুটবলের ছাপ এখনো রয়ে গেছে দলটির মাঝে। প্রথমার্ধে গোল না পেলেও সিটিকে নাচিয়েছে দলটি।

default-image

দ্বিতীয়ার্ধে আর পেরে ওঠেনি লিডস। বিয়েলসার অধীনে শেষ দিকে যা হয়েছিল, সেটা স্মিত পরিসরে আজকের ম্যাচেও দেখা গেল। ক্লান্ত হয়ে ওঠা দলটি এরপর ধীরে ধীরে খেই হারিয়েছে। ৫৪ মিনিটে নাথান একের গোলের পর আবার জেগে উঠেছিল দলটি। সমর্থকেরা তখনো শোর তুলেছেন, গলাবাজি করেছেন। কিন্তু সিটির স্কোয়াডের সঙ্গে পেরে ওঠেনি লিডস। ৭৮ মিনিটে ফর্মে থাকা গ্যাব্রিয়েল জেসুস গোল করলেন। এ নিয়ে টানা তৃতীয় ম্যাচে গোল পেলেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার।

যোগ করা সময়ে লিডসের কষ্ট বাড়িয়েছেন ফার্নান্দিনিও। ৩৪ ম্যাচে শেষে ৩৪পয়েন্ট লিডসের। ১৮তম দল এভারটনের চেয়ে এখনো ৫ পয়েন্ট এগিয়ে তারা। কিন্তু এভারটনের হাতে দুই ম্যাচ বাকি আছে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন