বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাতে অবশ্য লাভটা সবচেয়ে বেশি হয়েছে সিটিরই। এই ড্রয়ের পর ২১ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগে দুই নম্বরে চেলসি, ২০ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে লিভারপুল। অথচ মৌসুমের প্রথম ১০ রাউন্ড যাওয়ার পর চেলসিই ছিল পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে, তিন পয়েন্ট পিছিয়ে দুইয়ে ছিল লিভারপুল। সিটি তখন তিন নম্বরে ছিল চেলসির চেয়ে ৫ পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে।

default-image

স্টামফোর্ড ব্রিজে ম্যাচের ৯ মিনিটেই এগিয়ে যায় লিভারপুল। দিয়েগো জোতার ক্রস হেড করে ক্লিয়ার করতে গিয়ে পড়ে যান ট্রেভোহ শালাবাহ। বল পেয়ে যান সাদিও মানে। পোস্ট ছেড়ে বের হয়ে আসা চেলসি গোলরক্ষক মেন্দিকে পেরিয়ে তাঁর নেওয়া শট চলে যায় জালে। ২৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মো সালাহ। ডান পাশ থেকে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের লম্বা পাস পেয়ে যান সালাহ। চেলসি ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে নেওয়া তাঁর বাঁ পায়ের শট ঠেকানো সম্ভব ছিল না চেলসি গোলরক্ষক মেন্দির।

ম্যাচটা লিভারপুলের হাতে চলে গেছে, এমন যখন মনে হচ্ছিল, তখনই চার মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় চেলসি। ৪২ মিনিটে মার্কোস আলোনসোর ফ্রি-কিক ক্লিয়ার করতে গিয়ে বলে ঘুষি দিয়ে দূরে পাঠানোর চেষ্টা করেন লিভারপুলের আইরিশ গোলরক্ষক কুইভেন কেলহার। কিন্তু বল সরাসরি চলে যায় বক্সের সীমানার কাছেই দাঁড়ানো মাতেও কোভাচিচের পায়ে। দারুণ এক ভলিতে ব্যবধান কমান ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ডার। প্রথমার্ধের যোগ হওয়া সময়ে এনগোলো কান্তের পাস থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের এক শটে সমতা ফেরান ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক।

default-image

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬ ও ৫৮ মিনিটে পরপর দুইবার চেলসিকে রক্ষা করেন মেন্দি। প্রথমে দূর থেকে নেওয়া সালাহর শট ঠেকিয়ে দেন। দুই মিনিট পরেই সালাহর সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে নেওয়া মানের শটও আটকে দেন চেলসি গোলরক্ষক। সুযোগ চেলসিও পেয়েছিল। ৬২ মিনিটে আলোনসোর ক্রস থেকে নেওয়া পুলিসিকের শট ঠেকিয়ে লিভারপুলকে রক্ষা করেন কেলহার। দ্বিতীয়ার্ধে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন