বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমনিতে অবশ্য নিউক্যাসলকে নিয়ে সিটির ভয়ের খুব একটা কারণ ছিল না। লিগে এর আগে নিউক্যাসলের বিপক্ষে সর্বশেষ ২৮ ম্যাচে মাত্র একবার হেরেছে সিটি, সেটা ২০১৯ সালে। ইতিহাদে এর আগে কোনো ম্যাচ জেতা হয়নি নিউক্যাসলের, ১৪টি হারের সঙ্গে দুটি ড্র। সিটির মাঠে নিউক্যাসল সর্বশেষ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল ২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে, অ্যালান শিয়ারারের একমাত্র গোলে। তখন মেইনে রোড স্টেডিয়াম ছিল ম্যানচেস্টার সিটির মাঠ।

২২ বছর আগের সেই সুখস্মৃতি ফিরিয়ে আনার কোনো আভাস দেওয়ার আগেই আজ গোল খেয়ে বসে নিউক্যাসল। ম্যাচের ১৯ মিনিটে প্রায় মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা গুন্দোয়ানের ক্রসে হেড করে স্টার্লিংয়ের দিকে বাড়ান নিউক্যাসলের বক্সে থাকা জোয়াও কানসেলো। বল জালে পাঠাতে ভুল হয়নি স্টার্লিংয়ের। ইতিহাদে এটা স্টার্লিংয়ের ৫০ তম গোল। সের্হিও আগুয়েরোর (১০৬) পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ঘরের মাঠে অর্ধশত গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন সিটির উইঙ্গার।

মিনিট পাঁচেক পরে সিটির জালে বল পাঠিয়েছিল নিউক্যাসলও। কিন্তু ক্রিস উডের সেই গোল বাতিল হয়ে যায় অফসাইডের কারণে। সেই হতাশা ভুলতে না ভুলতেই দ্বিতীয় গোলটা হজম করে বসে নিউক্যাসল, এবং সেটা গোলরক্ষক ডুব্রাভকার ভুলে। কেভিন ডি ব্রুইনার ক্রস পড়েছিল ডি-বক্সের সীমানায় গুন্দোয়ানের পায়ে। জার্মান মিডফিল্ডারের শট ডুব্রাভকা ঠেকিয়ে দিলেও নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। সেই বল প্রথমে রুবেন দিয়াস জালে পাঠানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও এমেরিক লাপোর্তে ভুল করেননি কোনো।

default-image

দুই গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া সিটি ব্যবধান ৩-০ করে ৬১ মিনিটে। ডি ব্রুইনাই গোলটা বানিয়ে দিয়েছেন, রদ্রি শুধু জালে পাঠানোর কাজটা করেছেন। এরপর আর এই ম্যাচের ফল নিয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না। কিন্তু সিটি বোধ হয় সেখানেই থামতে চায়নি। ৮৯ মিনিটে বদলি নামা ফোডেনের গোলের পর যোগ হওয়া সময়ে স্টার্লিং করলেন ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল।
পয়েন্টে তো এগিয়েই, এখন গোল ব্যবধানেও লিভারপুলের (৬৪) চেয়ে বেশ এগিয়ে গেল সিটি (৬৮)।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন