বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

চেলসির জার্সিতে দুই মৌসুমে লিগে ৫৬ ম্যাচ খেলে মাত্র ১০ গোল করেছেন ভেরনার। সব মিলিয়ে ৮৯ ম্যাচে মাত্র ২৩ গোল। অথচ লাইপজিগের হয়ে সর্বশেষ মৌসুমে শুধু লিগেই ৩৪ ম্যাচে ২৮ গোল ছিল তাঁর। এমন এক ফরোয়ার্ড স্টামফোর্ড ব্রিজে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছেন। লুকাকু দলে যোগ দেওয়ার পর নিজেকে বেঞ্চে আবিষ্কার করেছেন। এমনকি লুকাকুকে যখন কোচ খেলাননি, তখনো তাঁর জায়গা ফিরে পাননি। স্বদেশি কাই হাভার্টজকেই সেখানে খেলিয়েছেন কোচ টমাস টুখেল।

এপ্রিলে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়ে আবার টানা চার ম্যাচ গোল পাননি লিগে। সর্বশেষ ম্যাচে তাঁকে মাঠেই নামাননি টুখেল। এমন অবস্থায় তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। লিভারপুলে গেলে হয়তো ক্যারিয়ার অন্য পথে এগোতে পারত তাঁর।

default-image

লন্ডন ইভেনিং স্ট্যান্ডার্ডকে ভেরনার বলেছেন কেন লিভারপুলকে বেছে নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন, ‘শুধু একটা কথাই বলতে পারি, ওদের একজন জার্মান কোচ আছে। বহু আগ থেকেই তাঁকে চিনি। যখন স্টুটগার্টে (২০১৩-২০১৬) ছিলাম, তখন ডর্টমুন্ডে নেওয়ার ব্যাপারে কথা বলেছিলেন। এরপর আমি খুব একটা ভালো খেলিনি বলে তা হয়নি।’

ক্লপের প্রশংসায় রীতিমতো পঞ্চমুখ ভেরনার, ‘জার্মানির সেরা কোচদের একজন। আমাদের (চেলসি) কোচের প্রতি আঙুল না তুলেই বলি, গত কয়েক বছরে সবচেয়ে বেশি শিরোপা তিনিই জিতেছেন। তাঁর দারুণ ব্যক্তিত্ব—এই ব্যক্তিত্ব জার্মানির মানুষ পছন্দ করে। কারণ, তিনি মজা ভালোবাসেন। জার্মানরা টমাস মুলার, ইয়ুর্গেন ক্লপদের মতো মানুষদের পছন্দ করে। যাদের মধ্যে সহমর্মিতা আছে। যা মনে থাকে সেটাই বলে। এই খেলায় এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, মেকি কিছু না করা।’

default-image

চেলসিতে ব্যক্তিগত সাফল্য হয়তো পাননি, কিন্তু প্রথম বছরেই চ্যাম্পিয়নস লিগের স্বাদ পেয়েছেন ভেরনার। এ কারণে দলবদল নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের, ‘আমি যখন লাইপজিগে ছিলাম, প্রিমিয়ার লিগে আসার সুযোগ এসেছিল। লিভারপুলের কথা মাথায় এসেছিল, অনেক বড় সুযোগও ছিল। কিন্তু আমি চেলসিই বেছে নিয়েছি। গত বছর চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছি। খুব একটা খারাপ সিদ্ধান্ত না!’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন