বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভিনিসিয়ুস নামটি এখন আর কাউকে চিনিয়ে দিতে হয় না। ২০১৬ সালে বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়ে পেশাদার ফুটবলে এক ম্যাচও না খেলা ১৬ বছরের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে কিনে নিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর প্রথম তিন বছরে একটু-আধটু ঝলক দেখালেও বেশির ভাগ সময় হতাশই করেছেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। এই মৌসুমে এসে অবশেষে প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ খেলা দেখাচ্ছেন। গতকাল রাতে বার্সেলোনার বিপক্ষে গোল করেছেন। এই মৌসুমে এটা ভিনিসিয়ুসের ১৫তম গোল। সে সঙ্গে সতীর্থদের দিয়ে আরও ৯ গোল করিয়েছেন ভিনিসিয়ুস।

ওদিকে রিয়ালে গত দুই মৌসুমে যখন হতাশার সময় কাটাচ্ছিলেন ভিনিসিয়ুস, সে সময় পর্তুগালে আলো ছড়িয়েছিলেন আরেক ভিনিসিয়ুস। বেনফিকার হয়ে ২০১৯-২০ মৌসুমে ২৪ গোল করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার কার্লোস ভিনিসিয়ুস। মাঝে এক মৌসুম টটেনহামে কাটিয়ে গেলেও খুব একটা আলো ছড়াতে পারেননি। এখন ডাচ লিগে পিএসভি আইন্দহোফেনে খেলছেন ২৬ বছর বয়সী কার্লোস।

default-image

নিজের ক্যারিয়ারে অনেক খেলোয়াড়েরই ভূমিকা বদলেছেন গার্দিওলা। তবে ফরোয়ার্ডের ফুলব্যাক বানিয়ে ফেলার মতো কিছু এখনো করে দেখাননি গার্দিওলা, এবারও সেটা করছেন না। গার্দিওলা নিজের রক্ষণের জন্য যাঁকে পছন্দ করেছেন, তাঁর নাম আবনের ভিনিসিয়ুস।

দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, আতলেতিকো পারানেন্সের এই লেফটব্যাকের খেলা দেখতে মাঝে মাঝেই হাজির হচ্ছেন সিটির স্কাউটরা। ২০১৯ সালে আবনেরকে কিনতে নিজেদের দলবদলের রেকর্ড ভেঙেছিল ব্রাজিলিয়ান ক্লাব। ২৪ লাখ ইউরো বিনিয়োগ বৃথা যায়নি ক্লাবটির। পারানান্সের হয়ে গত বছর কোপা সুদামেরিকানা (দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দ্বিতীয় সেরা মহাদেশীয় শিরোপা, ইউরোপে যেটি ইউরোপা লিগ) জিতেছেন আবনের। এর আগেই অবশ্য ব্রাজিলের হয়ে অলিম্পিক সোনা জিতে এসেছেন ২১ বছর বয়সী আবনের।

default-image

গার্দিওলার জন্য লেফটব্যাক পজিশন মহাচিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। ফুলব্যাক কেনার পেছনে এ পর্যন্ত সিটিতে প্রায় ২৯ কোটি ইউরো ব্যয় করেছেন গার্দিওলা। কিন্তু নিজের পছন্দের লেফটব্যাক এখনো খুঁজে পাননি। ২০১৭ সালে মোনাকো থেকে রেকর্ড গড়ে ৫ কোটি ৭৫ লাখ ইউরো খরচ করে এনেছিলেন মেঞ্জামিন মেন্দিকে। চোট, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে আগেই গার্দিওলার বিরাগভাজন হয়ে ওঠা মেন্দি তো কদিন আগে ধর্ষণের অভিযোগে জেলেই গেছেন!

মাঝে মাঝেই জিনচেঙ্কোকে দেখা গেছে সিটিতে লেফটব্যাক হিসেবে। তবে তাঁকে কখনোই বিকল্পের বেশি ভাবেননি গার্দিওলা। মিডফিল্ডার ডেলফও কিছুদিন বিকল্প হিসেবে কাজ চালিয়েছেন। ২০১৭ সালে মেন্দির সঙ্গে সঙ্গে দানিলোকে কিনেছিলেন গার্দিওলা। এই রাইটব্যাককে লেফটব্যাক হিসেবেই ব্যবহার করেছেন বেশি। সেই দানিলোকে জুভেন্টাসে পাঠিয়ে পর্তুগিজ জোয়াও কানসেলোকে এনেছেন গার্দিওলা।

এই রাইটব্যাককেও এই মৌসুমে রক্ষণের বাঁ দিকেই দেখা যাচ্ছে। কানসেলো সেখানেই দারুণই খেলছেন। কিন্তু লেফটব্যাক হিসেবেই বেশি স্বচ্ছন্দ, এমন একজনের খোঁজে নেমেছেন গার্দিওলা। আর তাতেই নজরটা আটলান্টিকের ওপারে দিয়েছেন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন