বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ম্যাচজুড়ে বায়ার্নের ফরাসি রাইটব্যাক বেঞ্জামিন পাভারকে নাকাল করে ছেড়েছেন অগসবুর্গের ব্রাজিলিয়ান লেফটব্যাক ইয়াগো। এতটাই যে ম্যাচের শেষ দিকে পাভারকে উঠিয়ে নিতে বাধ্য হন বায়ার্ন কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান। বায়ার্নের আরেক ফুলব্যাক ওমর রিচার্ডসও যে খুব ভালো খেলেছেন, বলা যাবে না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকেই রিচার্ডসের জায়গায় মাঠে নামানো হয় নিয়মিত লেফটব্যাক আলফোনসো ডেভিসকে।

ম্যাচের ২৩ মিনিটেই অগসবুর্গকে এগিয়ে দেন পেডেরসেন। বাঁ দিক থেকে আসা ইয়াগোর দুর্দান্ত এক ক্রস সুইস স্ট্রাইকার অ্যান্ডি জেকিরি নাগাল পাননি, বল চলে যায় লেফট মিডফিল্ড থেকে বক্সে ঢুকে যাওয়া উইংব্যাক পেডেরসেনের কাছে। তাঁর বাঁ পায়ের জোরালো শট আটকানোর সাধ্য ছিল না বায়ার্ন গোলকিপার মানুয়েল নয়্যারের।

default-image

ফরাসি ডিফেন্ডার দায়োত উপামেকানো আর লুকাস এর্নান্দেজ ইয়াগোর ক্রস আটকাতে পারেননি। ওদিকে পাভারও আটকাতে পারেননি পেডেরসেনকে।


দ্বিতীয় গোলেও একই অবস্থা। তবে এ গোলে সবচেয়ে বড় ভুল বায়ার্নে নতুন আসা অস্ট্রিয়ান মিডফিল্ডার মার্সেল সাবিৎসারের। মাঝমাঠে সাবিৎসারের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে জেকিরি পাস দেন বাঁ প্রান্ত থেকে উঠে আসা ইয়াগোকে। সেখান থেকে ইয়াগোর ক্রস, অগসবুর্গের আরেক স্ট্রাইকার আন্দ্রে হান দুর্দান্ত হেডে গোল করলেন। হানকে সামলানোর সামর্থ্য ছিল না লুকাস এর্নান্দেজের। ৩৫ মিনিটের মধ্যেই নিজেদের মাঠে স্কোরলাইন ২-০ করে ফেলে অগসবুর্গ।

বায়ার্ন অবশ্য তিন মিনিট পরই ব্যবধান কমিয়ে ফেলে। ডান প্রান্ত থেকে আসা পাভারের ক্রসে ফ্লিক করে বক্সে থাকা লেভানডফস্কির কাছে পাঠিয়ে দেন জার্মান ফরোয়ার্ড টমাস মুলার। অগসবুর্গের পোলিশ গোলকিপার রাফাল গিকিয়েউইচের কপাল খারাপ, লেভানডফস্কির শটটার নাগাল পাওয়া সত্ত্বেও পুরোপুরি আটকাতে পারেননি।


পরে আর গোল করা হয়নি বায়ার্নের। লিগে এই নিয়ে দুই ম্যাচে হারল বায়ার্ন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিন ম্যাচ হারল বাভারিয়ানরা। স্টুটগার্টের বিপক্ষে নিজেদের ম্যাচটা ঠিকঠাক জিতলে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ডর্টমুন্ড চলে আসবে শীর্ষে থাকা বায়ার্নের ১ পয়েন্ট দূরত্বে। আপাতত ১২ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বায়ার্ন। এক ম্যাচ কম খেলে ২৪ পয়েন্ট ডর্টমুন্ডের।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন