ম্যাচ শেষের আধঘণ্টা পরও আবাহনী গ্যালারিতে শ পাঁচেক ক্ষুব্ধ দর্শক। দলের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তারা মিছিল করল। পানির বোতল ছুঁড়ে মারল। যেন সব দোষ কর্মকর্তার, মাঠে খেলোয়াড়দের গোল করতে বারণ করেছেন ওই কর্মকর্তা!
শেষ পর্যন্ত গ্যালারিতে পুলিশি হস্তক্ষেপ এবং একজন আটক। ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুক্তিযোদ্ধার কাছে আবাহনীর ১-০ গোলের হারেরই প্রতিক্রিয়া এটা। ক্ষুব্ধ কোচ জর্জ কোটান সমস্যা দেখছেন একটা জায়গাতেই, ‘স্কোরিংয়েই বড় সমস্যা আবাহনীর।’
গ্রুপ পর্বে গোল পাওয়া স্ট্রাইকার সবোলস চরবা হাঁটুতে চোট পাওয়ায় কাল বেঞ্চে বসেই দেখলেন দলের হার।
নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য, অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের পঞ্চম মিনিটে বিপ্লবের ক্রসে কামারা সারবার হেডে এল ম্যাচের একমাত্র গোল। ম্যাচে ফিরতে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ আবাহনী। ১০৮ মিনিটে নাসিরের কর্নারে আরিফের হেড গোললাইনে সেভ করেন সুইট। ১১৯ মিনিটে নিছকই দুর্ভাগ্য আবাহনীর, তাইয়ো ইফাবির শট লাগল ক্রসবারে।
১ মার্চ প্রথম সেমিফাইনালে শেখ জামাল ধানমন্ডির প্রতিপক্ষ শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। ২ মার্চ মোহামেডানের মুখোমুখি মুক্তিযোদ্ধা।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন