বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউনাইটেডের এই গোলকিপার টকস্পোর্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘হোটেলে আমরা সবাই শুক্রবার রাতে একত্র হওয়ার পর খাবার খেয়েছি। স্বাভাবিকভাবেই খাবার খেয়ে কিছু ডেজার্ট নিতে চেয়েছি আমরা। আপেল, আইসক্রিম বা কেক–জাতীয় কিছু নিতে চেয়েছে কেউ। কিন্তু সত্যি হলো, একজন ফুটবলারও আপেলের টুকরা ছুঁয়ে দেখেনি। কেউ কার্স্টাডও নেয়নি। কেকের ধারেকাছেও কেউ যায়নি। একজন আমার কাছে জানতে চাইল, রোনালদো কী খাচ্ছে? বুঝলাম, অবশ্যই সে কোনো স্বাস্থ্যকর খাবারই খাচ্ছে।’ বলার অপেক্ষা রাখে না, রোনালদোকে এভাবে খাবার টেবিলেও অনুসরণ করতে শুরু করেছেন সতীর্থরা।

default-image

রোনালদো শুধু খাবার নিয়েই উৎসাহ দিচ্ছেন না। মাঠে সতীর্থদের লড়াই করার পরামর্শও দিয়েছেন, ‘আমি দুটি কারণে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরে এসেছি। প্রথমটি হলো এ ক্লাবকে আমি ভালোবাসি। দ্বিতীয়টি হলো তাদের জয়ের আকাঙ্ক্ষা, যেটি সব সময় থাকে।’

পর্তুগিজ তারকা মাঠে শতভাগ নিংড়ে দিতেও বললেন সতীর্থদের, ‘আমি এখানে চিয়ারলিডার হতে আসিনি। যদি তোমরা সাফল্য চাও, তাহলে মনের গভীর থেকে ক্লাবকে ভালোবাসতে হবে। তোমাদের নিয়মিত ঘুমাতে হবে, খেতে হবে আর ক্লাবের জন্য লড়াই করতে হবে। তুমি খেলো আর না খেলো, সতীর্থদের সাহায্য করতে কবে এবং নিজের সর্বোচ্চটা দিতে হবে।’ কথার মাধ্যমে সতীর্থদের আরও বেশি জয়ের ক্ষুধা জাগিয়ে দিচ্ছেন রোনালদো, ‘এখানে আমি শুধু জিততেই এসেছি, আর কিছু নয়। তোমরাও কি জিততে চাও না?’

default-image

গত কয়েক মৌসুম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সময়টা বেশ খারাপ যাচ্ছে। সেটি ভালোই জানা রোনালদোর। পুরোনো ক্লাবের সোনালি সময় ফিরিয়ে আনতে চেষ্টার কমতি থাকবে না তাঁর, ‘তোমরা সবাই অসাধারণ খেলোয়াড়, তোমাদের যোগ্যতা আছে, তা না হলে কি আর আমি আসতাম? তোমাদের ওপর আস্থা আছে আমার। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সোনালি সময় ফিরিয়ে আনতে পারব আমরা।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন