বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

হাজার হোক, চ্যাম্পিয়নস লিগের সফলতম ফুটবলার তো তিনিই! এই বয়সে এসে যত বেশি ম্যাচ খেলা যায় , খেলতে চাইবেন এই পর্তুগিজ তারকা। কিন্তু চাইলেই কি আর হয়? রোনালদো যতই অনন্য হোন না কেন, বয়সের একটা প্রভাব মানুষের ওপর কখনো না কখনো পড়েই।


এটা বেশ ভালো করেই বোঝেন ইউনাইটেডের ম্যানেজার ওলে গুনার সুলশার। তিনি জানেন এককালে তাঁর ক্লাব-সতীর্থ রোনালদোর নিজেকে প্রমাণ করার তাড়নাটা কতটুকু। কিন্তু তার পরেও রোনালদো যেন অতিরিক্ত ম্যাচ খেলতে গিয়ে বড় কোনো চোটে না পড়েন, সেটিও নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাঁর। এ জন্যই সুলশারের ইঙ্গিত, রোনালদোকে হয়তো সব ম্যাচে না-ও খেলানো হতে পারে।

default-image

স্কোয়াডের আর দশটা খেলোয়াড়ের মতো রোনালদোও যেন পুরো মৌসুম জুড়ে ফিট থাকেন সেটিই নিশ্চিত করবেন সুলশার, ‘ব্যাপারটা হলো, ক্রিস্টিয়ানো নিজেই নিজের দেখভাল করতে পারে। তাই আমি স্পষ্টভাবে বলতে পারি নিউক্যাসলের হয়ে খেলার পর ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেতে ওর বেশি সমস্যা হবে না। ও আবার প্রাক-মৌসুমেও খেলেছে। অবশ্যই আমরা চাইব প্রত্যেক খেলোয়াড়ই যেন ফিট থাকে, প্রতিটি খেলোয়াড়ই যেন ম্যাচের আগে নব্বই মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত থাকে।’


যে কারণে হয়তো চ্যাম্পিয়নস লিগের এই সপ্তাহের ম্যাচে ইউনাইটেডের হয়ে খেলতে না-ও দেখা যেতে পারে রোনালদোকে, ‘হ্যাঁ, মঙ্গলবারে আমাদের একটা ম্যাচ আছে ইয়ং বয়েজের বিপক্ষে। দেখি কী করা যায়। তবে হ্যাঁ, রোনালদোকে বসিয়ে রাখা অস্বাভাবিক কিছু না। ওর বয়স এখন ৩৬, গ্রিনউডের ১৯। দুজনের ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা এক। গ্রিনউডকেও যেমন বুঝেশুনে খেলাতে হবে, একজন ৩৬ বছর বয়সী খেলোয়াড়কেও বুঝেশুনে খেলাতে হবে। দলের মধ্যে যত বেশি মানসম্মত খেলোয়াড় আসবে, তত বেশি স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের সৃষ্টি হবে।’

default-image

দলে এবার বেশ অসাধারণ কিছু খেলোয়াড়কে নিয়ে এসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রোনালদো ছাড়াও ইউনাইটেডের জার্সি পরেছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সেন্টারব্যাক রাফায়েল ভারান, ইংলিশ উইঙ্গার জেডন সানচো। তাঁদের কারণে দলের মান উন্নত হয়েছে বলে মনে করছেন সুলশার, ‘আমার মনে হয় দলে ক্রিস্টিয়ানো আর ভারান আসার কারণে অনেকের চোখ কপালে উঠে গেছে, কারণ তাঁরা চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়। যা যা জেতা সম্ভব তাঁরা সবকিছুই জিতেছে এবং তাঁরা প্রতিনিয়ত তরুণ খেলোয়াড়দের ভালো করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছে। তরুণ খেলোয়াড়েরাও প্রতিনিয়ত তাঁদের দেখে শিখছে। তাঁদের দেখে ভাবছে, ” হ্যাঁ, এভাবেই একজন শীর্ষ ক্রীড়াবিদ হওয়া যায়।” তাই দলে রোনালদো ও ভারান আসার কারণে সবার মধ্যেই একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মনোভাব এসেছে। কোচ হিসেবে আমার জন্য যা বেশ ভালো একটা বিষয়।’


ইয়ং বয়েজের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে মাঠে নামলে চ্যাম্পিয়নস লিগে রেকর্ড ১৭৭ ম্যাচ খেলা হয়ে যাবে রোনালদোর। ইউরোপীয় আসরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় সাবেক সতীর্থ ইকার ক্যাসিয়াসের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে উঠে যাবেন তিনি।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন