বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

শুরু থেকেই আধিপত্য দেখানো শুরু করে লিভারপুল। সালাহ-মানেদের অনুপস্থিতিতে বেশ কিছু আনকোরা খেলোয়াড় নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পান এ ম্যাচে। যেমন রাইটব্যাকে খেলেছেন কনর ব্র্যাডলি, রাইট উইঙ্গার হিসেবে সালাহর জায়গায় দেখা গেছে ১৭ বছর বয়সী কাইদে গর্ডনকে।

চার মিনিটেই এগিয়ে যায় লিভারপুল। কর্নার থেকে আসা বল হেড করে নামিয়ে মিনামিনোর পায়ে তুলে দেন বেলজিয়ান স্ট্রাইকার অরিগি। সেভাবে মিনামিনোকে মার্ক করেননি নরউইচের কেউই। নরউইচের গোলকিপার অ্যাঙ্গাস গানের দুপায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান এই জাপানি তারকা।

ম্যাচে সমতা আনার সুযোগ পেয়েছিল নরউইচ। তবে সে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি দলটা। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি পেলেও দলে নতুন আসা গ্রিক ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান জোলিস পেনাল্টি মিস করেন, লিভারপুলের তরুণ গোলকিপার খুইভিন কেলেহার ঠেকিয়ে দেন সে পেনাল্টি।

পরে ম্যাচের লাগাম আরও নিজেদের দিকে টেনে নেয় লিভারপুল। ৫০ মিনিটে গ্রিক লেফটব্যাক কসতাস সিমিকাসের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন অরিগি।

৮০ মিনিটে আবারও দৃশ্যপটে মিনামিনোর আগমন। তবে এবার সহায়তাকারীর ভূমিকায় ছিলেন ইংলিশ মিডফিল্ডার অ্যালেক্স-অক্সলেড চেম্বারলিন। এই তিন গোল মিলিয়েই লিভারপুল অনায়াসের উঠে যায় ইএফএল কাপের পরের রাউন্ডে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন