বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

স্বাধীনতা কাপে দলের সঙ্গে ছিলেন না। সপ্তাহখানেক আগে ঢাকা এসেছেন। রহমতগঞ্জের জার্সিতে আজই প্রথম ম্যাচে খেললেন সানডে। শেষ পর্যন্ত দলকে জেতাতে না পারলেও গোল দিয়ে শুরু হলো তাঁর নতুন অভিযান। তবে টাইব্রেকারে প্রথম শট মিস করেছেন তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় দুই দলের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। আজ ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই। সে লড়াইয়ে ৭ মিনিটেই নুরুল আবসারের গোলে এগিয়ে যায় শেখ জামাল।

রাইটব্যাক রায়হান হাসানের লম্বা থ্রোইন বক্সের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন আবসার। এই গোলে দায় এড়াতে পারেন না রহমতগঞ্জের তাজিকিস্তানের সেন্টারব্যাক সিওভুশ আশরোরভ।

default-image

সানডেকে পেয়ে রহমতগঞ্জের শক্তি বেড়েছে। সবচেয়ে বড় কথা সানডেকে বাড়তি সমীহর চোখে দেখেন প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগের খেলোয়াড়েরা। আজ যেমন তাঁকে পেয়ে জোড়া স্ট্রাইকার খেলালেন রহমতগঞ্জ কোচ সৈয়দ গোলাম। দলও খেলেছে অনেক আক্রমণাত্মক।

২৮ মিনিটেই ম্যাচে ফিরতে পারত রহমতগঞ্জ। অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান কিরণের ফ্রি-কিকে এনামুল হোসেন গাজীর হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর দুবার গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন সানডে। শেখ জামালের জয়ের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল ম্যাচ। ৯০ মিনিটে ঝলকটা দেখালেন সানডে। ফিলিপ আজাহর ব্যাক হিল থেকে আলতো টোকায় গোল করে দলকে সমতায় ফেরান সানডে।

default-image

ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে আবার রহমতগঞ্জ সমর্থকদের কাছে ভিলেনের আসনে সানডে। তাঁর শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন শেখ জামালের বদলি গোলরক্ষক মোহাম্মদ নাঈম। ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়াতে যাচ্ছে দেখে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বদলি হিসেবে নামানো হয় নাঈমকে। সানডের শট ঠেকিয়ে সে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন নাঈম।

স্পট কিক থেকে শেখ জামালের হয়ে গোল করেন যথাক্রমে সলোমন কিং, ইয়াসিন খান, আরিফুল ইসলাম, নুরুল আবসার ও রায়হান হাসান। সানডের মিসের পর রহমতগঞ্জের হয়ে গোল করতে ভুল করেননি সিওভুশ, ওয়ালি ফয়সাল, ফিলিপ ও মোহাম্মদ স্বাধীন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন