বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাবে দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২.১ বিলিয়নবার (২১০ কোটি) অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে রোনালদোর। এর মধ্যে ৩৪ কোটিবার ফেসবুকে, ১৭০ কোটিবার ইনস্টাগ্রামে ও ২ কোটি ৮০ লাখবার টুইটারে। টুইটারে মেসির অ্যাকাউন্ট নেই। তাঁর হিসাবটি শুধু ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেই সীমাবদ্ধ। দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোট ১১০ কোটিবার অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে মেসির। এর মধ্যে ফেসবুকে ১৯ কোটি ২০ লাখবার এবং ইনস্টাগ্রামে ৯৭ কোটি ২০ লাখবার। নেইমার এ বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৭৫ কোটি ১০ লাখবার যোগাযোগ করে তৃতীয়। এ যোগাযোগ আসলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো প্রতিক্রিয়াকে বোঝানো হয়—অনুসারীদের লাইক, মন্তব্য, শেয়ার, পোস্ট, টুইট, রিটুইট থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের কার্যকলাপ ও প্রতিক্রিয়া।

তবে এই তিন তারকার কল্যাণে তাঁদের ক্লাবের লাভ হয়েছে। রোনালদো এ বছর আগস্টে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরে আসেন। তারপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হু হু করে অনুসারীর সংখ্যা বেড়েছে ইউনাইটেডের। টকওয়াকারের হিসাব অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে র‌্যাঙ্কিংয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডই শীর্ষে, দুইয়ে মেসি ও নেইমারের পিএসজি।

চমকে দিয়েছেন কোচেরা। ফুটবলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০২১ সালে সর্বোচ্চ প্রভাব ফেলা তিন কোচই ইতালিয়ান—রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তি, জুভেন্টাসের সাবেক কোচ আন্দ্রেয়া পিরলো ও টটেনহামের কোচ আন্তনিও কন্তে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের সঙ্গে ২ কোটিবার নানাভাবে যোগাযোগ হয়েছে আনচেলত্তির। এর মধ্যে ১ কোটি ২৮ লাখবারই ইনস্টাগ্রামে। পিরলো ১ কোটিবার, এর মধ্যে ৭৮ লাখবার ইনস্টাগ্রামে, ২০ লাখবার ফেসবুকে ও ৩ লাখ ৫৪ হাজারবার টুইটারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কন্তের যোগাযোগসংখ্যা ৭৫ লাখবার।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন