default-image

সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে একজন সহসভাপতি আর সাধারণ সম্পাদকসহ বাফুফের নির্বাহী কমিটির তিনজন সদস্য। সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশের ডজনখানেক গণমাধ্যমকর্মীও। এমন অবস্থায় মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে—কাঠমান্ডুর হোটেলে আছি নাকি ঢাকার কোনো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে!

তিন জাতি টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব–২৩ দলের বিপক্ষে ১–০ গোলে জিতে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে বাংলাদেশ। গতকাল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক নেপাল ও কিরগিজস্তান ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হওয়ায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই সবার আগে ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের। ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৯ মার্চ।

বিজ্ঞাপন

ফাইনালের প্রতিপক্ষ হবে কারা? সেটি নির্ভর করছে আগামীকাল বাংলাদেশ ও নেপাল ম্যাচের ফলাফলের ওপর। বাংলাদেশের বিপক্ষে না হারলেই ফাইনালে চলে যাবে নেপাল। হারলে গোল ব্যবধানের প্রশ্ন। সালাউদ্দিনের প্রত্যাশা, বাংলাদেশ ২–০ গোলে জিতুক, ‘কাল যদি আমি হারি বা জিতি কোনো অসুবিধা নেই। কোচকে আমি কোনো পরামর্শও দেব না। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই বাংলাদেশ ২–০ গোলে জিতুক। এতে ফাইনালে মানসিকভাবে এগিয়ে থাকা যাবে।’

নিজেদের প্রথম ম্যাচে আত্মঘাতী গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবে ম্যাচ জেতায় খুশি তিনি। কিন্তু পুরোপুরি তৃপ্ত নন সালাউদ্দিন, ‘আমি খুশি। তবে আরও ভালো পারফরম্যান্স হওয়া উচিত ছিল। যে গোলগুলো মিস হয়েছে, আন্তর্জাতিক ম্যাচে সেগুলো মিস করা যাবে না। প্রতিপক্ষ দল যে গোলগুলো মিস করেছে, সেগুলো হলে তো ফলাফল অন্য রকম হতে পারত।’

default-image

কিরগিজস্তানের অনূর্ধ্ব–২৩ দলের বিপক্ষে ম্যাচটি এখন অতীত। আগামীকালের নেপাল–ম্যাচ ছাপিয়ে স্বাভাবিকভাবে চোখ এখন চলে গেছে ফাইনালে। প্রায় ১৫ বছর পর দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। দেশে যখন স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন চলছে, চলছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীর আয়োজন। এমন সময়ে নেপাল থেকে ট্রফি জিতে ফিরলে তা হবে দুর্দান্ত।

বাফুফে সভাপতিও তা–ই চান, ‘বছরটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী। এ ছাড়া স্বাধীনতার ৫০ বছর। দেশবাসীকে ট্রফি উপহার দিতে পারলে তারা ফুটবলটাকে মনে রাখবে।’

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন