default-image

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে পরিচিত মুখগুলোর একজন সালাহ। মিসর দলের বাকি ফুটবলারদের নাম বলতে গেলে অনেকেই থমকে যাবেন। মিসর ফুটবলের পোস্টারবয় তো এখন সালাহই। কিন্তু জাতীয় দলে তাঁর অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেহাতা। ২০০৬, ২০০৮ ও ২০১০ সালে টানা তিনটি আফ্রিকান নেশন কাপ জিতে ইতিহাস গড়া এই মিসরীয় কোচ খুব একটা খুশি নন সালাহর পারফরম্যান্সে।

ইজিপ্ট ইন্ডিপেনডেন্টকে বলেছেন, ‘আমি দুঃখিত যে এটা বলতে হচ্ছে। টেকনিক্যালি, মোহাম্মদ সালাহ জাতীয় দলের হয়ে কিছুই করেনি। ওর এর চেয়ে ভালো কিছু করা উচিত ছিল। যখন দেশের হয়ে খেলে, তখন আরও কিছু করা উচিত ছিল।’

এ বছর বিশ্বকাপে জায়গা করতে পারেনি মিসর। বছরের শুরু আফ্রিকান নেশনস কাপেও ফাইনালে হেরেছেন সালাহরা। তাই বলে জাতীয় দলে সালাহর অবদান নেই—এটা বললে একটু বাড়াবাড়ি শোনায়। মাত্র ৮৫ ম্যাচে মিসরের হয়ে ৪৭ গোল তাঁর। তাঁর চেয়ে এগিয়ে আছেন শুধু হোসাম হাসান। যাঁর ৬৮ গোল এসেছে ১৭৫ ম্যাচে। ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত অনায়াসে খেলতে পারবেন ৩০ বছর বয়সী সালাহ। সে ক্ষেত্রে জাতীয় দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নিশ্চিতভাবেই হয়ে যাবেন সালাহ।

লিভারপুলের জার্সিতে যতটা ভয়ংকর, মিসর জার্সিতে ঠিক ততটা নন সালাহ। অবশ্য লিভারপুলে যাঁদের সতীর্থ হিসেবে পান, আর জাতীয় দলের সতীর্থ যাঁদের পান, তাঁদের মানের পার্থক্য অনেক। শেহাতার দাবি, পার্থক্যের এ ফারাক ভুলিয়ে দেওয়ার দায়িত্বটাও সালাহর, ‘এখানকার কর্মকর্তাদের এটা বলা উচিত ছিল ওর। সে হয়তো খেলোয়াড় নির্বাচিত করে না, কিন্তু ওর এটা বলা উচিত ছিল ইংল্যান্ডে যাদের সঙ্গে খেলে, এখানকার খেলোয়াড়েরা এমন না। এর ফলে সালাহর জন্য মাঠে জায়গা বের করার উপায় বের করতে হবে কোচদের। আমাদের এমন খেলোয়াড় খুঁজে বের করতে হবে, যারা ওকে ভালোভাবে খেলতে সাহায্য করবে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন