বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ম্যাচ একাদশ দেখেই চমকে উঠেছেন সবাই। মোহাম্মদ সালাহ নেই আক্রমণে। মাঝমাঠে নেই ফাবিনিও ও থিয়াগো। রক্ষণে নেই ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার–আরনল্ড। কিছুটা হলেও খর্বশক্তির লিভারপুল। মঙ্গলবার ভিয়ারিয়ালের মাঠে খেলতে হবে। এ কারণে কিছু খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেওয়ার চিন্তা তখনই টের পাওয়া গেছে। কিন্তু পুরোপুরি বিশ্রাম মেলেনি তাঁদের। ম্যাচের বড় সময় ধরে আধিপত্য বিস্তার করেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি লিভারপুল। সে কারণেই সালাহ, থিয়াগো, ফাবিনিও—সবাইকেই নামাতে হয়েছিল ক্লপের।

default-image

ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখানো লিভারপুল এগিয়ে গেছে ১৯ মিনিটে। মিলনারের কাছ থেকে বল পেয়ে জোতা ও নাবি কেইতা নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া–নেওয়া করে বক্সে ঢুকে পড়েন। অন্যদের পাস দেওয়ার সুযোগ পাননি কেইতা। কারণ, তাঁর সামনে থাকা দুই লিভারপুল খেলোয়াড় অফসাইডে ছিলেন। তাই নিজেই ড্রিবল করে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে শট নিয়েছেন। দুই নিউক্যাসল ডিফেন্ডার মানবদেয়াল সৃষ্টি করেও ঠেকাতে পারেননি। দুজনের মধ্যে দিয়ে গোল।

গোল খেয়ে স্বাগতিক দল তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে উঠেছে—এটা বলা যাচ্ছে না। বরং কেইতা-মানে-দিয়াজ ও জোতারাই প্রাধান্য বিস্তার করেছেন। আক্রমণের গতি ও গোলের সুযোগ—সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল লিভারপুল। নিউক্যাসলের দু–একটি প্রতি–আক্রমণ ভয় জাগালেও আলিসন বেকারের সামনে সেগুলো নিষ্ফলা হয়ে উঠছিল। ৩৯ মিনিটে সমতা ফিরিয়েছিল স্বাগতিক ফল। কিন্তু আলমিরনের গোল অফসাইডে বাতিল হয়েছে।

default-image

দ্বিতীয়ার্ধেও খেলার ধারা বদলায়নি। লিভারপুল একের পর এক আক্রমণ করেছে। কিন্তু ব্যবধান বাড়ছিল না বলে যেকোনো সময় গোল খেয়ে পয়েন্ট খোয়ানোর ভয় রয়ে যাচ্ছিল। ৬৯ মিনিটে তাই সালাহকে নামানো হলো মাঠে। ফাবিনিও নেমেছেন তাঁর সঙ্গে। খেলা শেষ হওয়ার ১২ মিনিট আগে খেলা নিয়ন্ত্রণের আশায় থিয়াগোকেও নামানো হয়েছে। এর আগেই গোল পরিশোধের চরম সুযোগ পেয়েছিল নিউক্যাসল। কিন্তু আলিসনকে একে পেয়েও তাঁর গায়ে বল মেরেছেন ক্রিস উড। যদিও গোল হলে সেটা অফসাইডে বাতিল হতো।

নেমে দুবার গোল করার সুযোগ পেয়েছেন সালাহ, কিন্তু নিজের ২৩তম লিগ গোলের দেখা পাননি। যোগ করা সময়ে দারুণ এক ট্যাকলে নিউক্যাসলের ভয়ংকর এক আক্রমণ থামিয়ে দিয়ে কোচকে স্বস্তি দিয়েছেন রবার্টসন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন