বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সান সিরোর ক্লাবটি তাদের বিবৃতিতে লিখেছে, ‘পরিবর্তন সব সময় সহজ নয়। কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার জন্য বিবর্তন দরকার হয়, ইউরোপিয়ান ফুটবলও যুগে যুগে বদলেছে। তবে সুপার লিগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের কণ্ঠস্বর ও উদ্বেগ ভালোভাবেই প্রকাশ পেয়েছে। এসি মিলান সেই কণ্ঠস্বরগুলোর প্রতি সংবেদনশীল।’

জুভেন্টাস সুপার লিগ থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেছে একটু ভিন্নভাবে। ক্লাবটি তাদের বিবৃতিতে লিখেছে, ‘একের পর এক ক্লাব সরে যাওয়ায় জুভেন্টাস মনে করে, যে মূল উদ্দেশ্য নিয়ে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল, সেটা সম্পন্ন করার সুযোগ খুব সীমিত। তবে জুভেন্টাস এই ক্লাব ও পুরো ফুটবলবাজারের দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

default-image

ইউরোপিয়ান সুপার লিগের চেয়ারম্যান ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি। এরই মধ্যে ফুটবল বিশ্বে বিদ্রোহী লিগ আখ্যা পেয়ে যাওয়া ইউরোপিয়ান লিগ চালু করার আশা তাই তাঁর দল হয়তো শেষ পর্যন্ত ছাড়বে না। তবে বার্সেলোনা কি তাদের সমর্থক আর সদস্যদের দাবি মেনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়ালের সঙ্গে বিদ্রোহী লিগেই রয়ে যাবে কি না, তা সময়ই বলবে।

রিয়াল আর বার্সা শেষ পর্যন্ত যদি তাদের অবস্থান থেকে সরে না আসে, তাহলে এটা তো এল ক্লাসিকো লিগই হয়ে যাবে। যদিও সুপার লিগের ভাইস চেয়ারম্যান ও জুভেন্টাসের সভাপতি আন্দ্রেয়া আনেয়েল্লি এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘সত্যি কথা বলতে, খোলাখুলিভাবে বললে, না। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই লিগ আয়োজন করা সম্ভব নয়।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন