default-image

ম্যাচটি ছিল ম্যানচেস্টার সিটির জন্য প্রতিশোধেরই। গত বছর ইতিহাদ স্টেডিয়ামে হেরে যাওয়ার প্রতিশোধ। কিন্তু স্বপ্নটা অপূর্ণই রয়ে গেল সিটি ফুটবলারদের। ঘরের মাঠে বার্সেলোনার কাছে তারা হেরে গেছে ২-১ গোলে। এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটের পথে অনেকটাই এগিয়ে থাকল লিওনেল মেসির ক্লাব। 

বার্সেলোনার এই জয়ে দুর্দান্ত অবদান উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজের। তাঁর জোড়া গোলেই যে দারুণ জয়টি তুলে নিয়েছে বার্সা।

সিটির বিপক্ষে ম্যাচটি যেন জয়ের উত্তুঙ্গ প্রতিজ্ঞা নিয়েই শুরু করেছিল বার্সেলোনা। লিওনেল মেসির মাধ্যমে তারা এগিয়ে যেতে পারত ম্যাচের ত্রয়োদশ মিনিটেই। নেইমারের বাড়ানো বলে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন মেসি। পর মুহূর্তেই সুয়ারেজ সিটি গোলরক্ষককে একা পেয়েও পারেননি গোল করতে।

খেলার ১৬ মিনিটে সুয়ারেজ ১-০ গোলে এগিয়ে নেন বার্সেলোনাকে। এই গোলে সাহায্য-কর্তা কিন্তু লিও মেসিই। তাঁর দুর্দান্ত একটি ক্রস সিটি ডিফেন্ডার ভিনসেন্ট কম্পানি হেড করে ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে তা থেকে গোল করেন সুয়ারেজ।
বার্সেলোনার দ্বিতীয় গোলেও সবচেয়ে বড় অবদান মেসির। সিটির আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার জাবালেতাকে দুর্দান্ত এক ডজে বোকা বানিয়ে মেসি বাম প্রান্তে বল বাড়িয়ে দেন আগুয়ান জরদি আলবার দিকে। আলবার পাল্টা ক্রসে সুয়ারেজ পেয়ে যান এই ম্যাচের দ্বিতীয় ও চ্যাম্পিয়নস লিগে তাঁর চতুর্থ গোলটি।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা দেখা যায় সিটির খেলোয়াড়দের মধ্যে। ৫৪ মিনিটে সার্জিও আগুয়েরোর একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। এর কিছুক্ষণ পর আগুয়েরোর আরও একটি প্রচেষ্টায় বাগড়া দেন জেরার্ড পিকে।
৬৯তম মিনিটে ওই আগুয়েরোই কমিয়ে আনেন ব্যবধান। হাভিয়ের মাচেরানোকে বোকা বানিয়ে ডেভিড সিলভার বাড়িয়ে দেওয়া বল ধরে বার্সার জালে পাঠান তিনি। ৭৪ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় সিটি ডিফেন্ডার গায়েল ক্লিসিকে। দশজনি দলে পরিণত হয়ে ম্যাচে ফেরার শেষ দেউটিও নিভে যায় ম্যানুয়েল পেলিগ্রিনির শিষ্যদের।
খেলার একেবারে অন্তিম মুহূর্তে নিজের গোলটি পেয়ে যেতে পারতেন লিওনেল মেসি। কিন্তু পেনাল্টি-দুর্ভাগ্য তা হতে দেয়নি। সিটি গোলরক্ষক পেনাল্টি ঠেকানোর পর ফিরতি বলেও হেড করে গোল করতে ব্যর্থতারই পরিচয় দিয়েছেন এই ফুটবল-মহাতারকা। সূত্র: এএফপি।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন