‘সেক্স টয়’ কোম্পানিকে না ডাচ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের

বিজ্ঞাপন
default-image

নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ স্তরের লিগ মাঠে গড়িয়েছে। গত সপ্তাহেও স্পনসরহীন জার্সিতে খেলেছে এরডিভিসির দল এফসি এমেন। ‘ইজি টয়েজ’ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন স্পনসর চুক্তিও ঠিক হয়ে গিয়েছিল দলটির। কিন্তু বাধ সেধেছে ডাচ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএনভিবি)। ‘সেক্স টয়’ তৈরি করা কোনো প্রতিষ্ঠানকে স্পনসর করা যাবে না—বিধি আরোপ করে এমেনের স্পনসর চুক্তি আটকে দিয়েছে কেএনভিবি।

সেক্স টয় তৈরির সঙ্গে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠানকে স্পনসর করাটা ঠিক নয়। পেশাদার ফুটবল বোর্ড মনে করে তরুণ থেকে বৃদ্ধরা অবাধে ফুটবল দেখে থাকে।
কেএনভিবি

সেক্স টয় তৈরির সঙ্গে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠানকে স্পনসর করাটা ঠিক নয়। পেশাদার ফুটবল বোর্ড মনে করে তরুণ থেকে বৃদ্ধরা অবাধে ফুটবল দেখে থাকে।ইজি টয়েজ প্রতিষ্ঠানটি নেদারল্যান্ডসে সেক্স টয় তৈরি করে। জার্সির প্রধান স্পনসর হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি করেছিল এমেন। চুক্তি থেকে প্রাক মৌসুমে ৫ লাখ ইউরো পাওয়ার কথা ছিল তাদের। কিন্তু ডাচ ফুটবল ফেডারেশন স্পনসর আইনের তৃতীয় ধারা অনুযায়ী এমেনের স্পনসর বাতিল করেছে। কেনভিবির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সেক্স টয়  তৈরির সঙ্গে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠানকে স্পনসর করাটা ঠিক নয়। পেশাদার ফুটবল বোর্ড মনে করে তরুণ থেকে বৃদ্ধরা অবাধে ফুটবল দেখে থাকে।’

তবে এমেনের চেয়ারম্যান রোনাল্ড লুবার্স বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নেননি, ‘আমরা অবাক হয়েছি। খারাপও লেগেছে। প্রধান এই স্পনসর আমরা এভাবে ছেড়ে দেব না, পরবর্তী পদক্ষেপের কথা ভাবছি।’

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
২০১৮-১৮ মৌসুমে প্রথমবারের মতো এরডিভিসিতে উঠে আসে এমেন। এরপর দুই মৌসুমে টেবিলে তাদের অবস্থান ১৪তম ও ১২তম।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী এরিক দেমা এ নিয়ে একটি মেইল করছেন সংবাদমাধ্যম ‘গোল ডট কম’কে। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এফসি এমেনের প্রধান স্পনসর হতে না পেরে আমরা ব্যথিত। আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ভাবছি, এমেনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাই। এই সহযোগিতা আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে যৌক্তিক ছিল। আমরা একই অঞ্চলের দুটি সফল প্রতিষ্ঠান। জুটি বাঁধতে অসুবিধার কিছু দেখি না। এই শিল্প নিয়ে যেসব নিষেধাজ্ঞা আছে তা একটু ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে ফেলতে পারে।’


২০১৮-১৮ মৌসুমে প্রথমবারের মতো এরডিভিসিতে উঠে আসে এমেন। এরপর দুই মৌসুমে টেবিলে তাদের অবস্থান ১৪তম ও ১২তম। এবার নতুন মৌসুমে মাত্র এক ম্যাচ খেলেছে এমেন। তাদের প্রতিবেশী ক্লাব এফসি গ্রোনিঙ্গেনের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে স্পনসর চুক্তি রয়েছে ইডিসি সেক্স শপের মূল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। কেএনভিবি জানিয়েছে, মাঠে স্পনসর প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহারে অনুমতি দরকার নেই কিন্তু জার্সির ক্ষেত্রে প্রয়োজন আছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন