বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবে জয়ে শুরু হলো না মারিও লেমোসের। ৪-২-৩-১ ফরমেশনে গোল পোস্টের নিচে ছিলেন আনিসুর রহমান। সেন্টারব্যাকে তপু বর্মণের সঙ্গে টুটুল হোসেন, রাইটব্যাক সুশান্ত ত্রিপুরা ও লেফটব্যাক ইয়াসিন আরাফাত। ডাবল পিভট দুই হোল্ডিং মিডফিল্ডার জামাল ভূঁইয়া ও আতিকুর রহমান। ডান প্রান্তে সাদ উদ্দিন ও বাম প্রান্তে রাকিব হোসেন। ‘নাম্বার নাইন’ সুমন রেজা ও তাঁর পেছনে মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

১৭ মিনিটেই ইব্রাহিমের গোলেই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। বক্সের মধ্যে থেকে ইব্রাহিমের দারুণ শট দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়। এরপর বলের দখল ধরে রেখে বাংলাদেশ কেন ব্যবধান বাড়াতে পারল না, এই প্রশ্নটা ওঠা অমূলক নয়। ৩০ মিনিটে প্রতিপক্ষ বক্সে কাট ব্যাক করেছিলেন লেফটব্যাক ইয়াসিন। ফাঁকায় বল পেয়ে যান জামাল ভূঁইয়া। কিন্তু সময়ক্ষেপণ করায় শেষ পর্যন্ত ঠিক ঠিকঠাক শট নিতে পারলেন না। ৪২ মিনিটে সাদের ক্রস থেকে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন রাকিব। প্রথম স্পর্শে বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে অন্তত গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারতেন। সেটি পারেননি। পরে কাট ব্যাক করলে ফিরতি বলে ভালো শট নিতে পারেনি ইব্রাহিম।

default-image

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় সেশেলস। ‘অচেনা দলটির’ আক্রমণেও ছিল বৈচিত্র্য। সমতাসূচক গোলটি আসে কর্নার থেকে। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন। বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা যেন শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলেন!

এই ড্রয়ের ফলে শ্রীলঙ্কার চার জাতি টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ল বাংলাদেশর জন্য। ১৩ নভেম্বর মালদ্বীপের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে লালসবুজের দল।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন