গ্রিসের কোরফুতে ছুটি কাটাতে গেছেন ফোডেন। ইংল্যান্ডের এই তারকা মিডফিল্ডার সাঁতার কাটতে সমুদ্রে নামার পর তাঁর মুঠোফোনটি হাতে পান কুক। তখন ফোনটি পরীক্ষা করে কুক টের পান, সৈকতের রোদ গায়ে মাখানোর সময় অন্যান্য নারীর ছবি তুলেছেন ফোডেন। আর যায় কোথায়!

গ্লাইফাদা সৈকতে অবসর কাটাতে আসা অন্যান্য পর্যটকের সামনেই ফোডেনকে ঝাড়েন কুক। পর্যটকেরা এ সময় অবাক চাহনিতে দেখেছেন দুজনকে।

default-image

শেষ পর্যন্ত দুজন নিরাপত্তাকর্মী এসে এ জুটিকে সম্মানের সঙ্গে সৈকত থেকে বের করে দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ফোডেনের বাচ্চাকে বহনকারী গাড়িটি ঠেলে নিয়ে যান এক নিরাপত্তাকর্মী। ২০ বছর বয়সী কুক তখন আঙুল তুলে ধমকাচ্ছিলেন সিটি তারকাকে।

সৈকতে অবকাশযাপন করা নারীদের প্রতি ইঙ্গিত করে ফোডেনকে এ সময় কুক বলেছেন, ‘তুমি কি মনে করো, আমি মাথামোটা?’

রেবেকা কুকের সঙ্গে ফোডেনের প্রেম আজকের নয়। স্কুলজীবন থেকেই মন দেওয়া-নেওয়া চলছে দুজনের। অনেক দিন ধরেই দুজন একসঙ্গে বসবাস করছেন।

সৈকতে সে সময় অবস্থান করা এক প্রত্যক্ষদর্শী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেইল অনলাইনকে বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, অন্য নারীর কারণে এমন ঘটেছে। দেখে মনে হয়েছে, সে (ফোডেন) ছবি তুলতে (কুকের সঙ্গে) অস্বীকৃতি জানালেও যখন অন্য নারীরা ছবি তুলতে চেয়েছে, তখন না করেনি। বাদানুবাদটা হয়েছে ফুটবলার এবং তার প্রেমিকার মধ্যে। মেয়েটি খুব রেগে ছিল এবং চিৎকার-চেঁচামেচি করেছে। ঘটনার সূত্রপাত ঘটে সৈকতে। পানশালায় ঢোকার পরও মেয়েটির রাগ কমেনি। সে খুবই আক্রমণাত্মক ছিল।’

ফোডেনের সঙ্গে তাঁর বাবা ফিল সিনিয়র এবং ক্লেয়ারও ছিলেন। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ফোডেন তাঁর প্রেমিকার কাছে ধমক হজমের সময় তাঁর মা বলেছেন, ‘এই নাটক দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত।’ বুধবার পরিবার নিয়ে সেখানে ছুটি কাটাতে যান ফোডেন।

২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বলজয়ী ফোডেন সে বছরই যোগ দেন ম্যানচেস্টার সিটিতে। ২০২০ সালে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক ঘটে তাঁর। সে সময়ও বিতর্ক ছড়িয়েছেন এ তারকা ফুটবলার। কোভিড বিধিমালা ভেঙে হোটেলের কামরায় দুজন নারী ঢোকানোয় ফোডেন ও গ্রিনউডকে ইংল্যান্ডে ফেরত পাঠানো হয়।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন