বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মজার ব্যাপার হলো, মালমোর বিপক্ষে জয়ের দুই কারিগর, জুভেন্টাসের দুই স্ট্রাইকার পাওলো দিবালা ও আলভারো মোরাতার কেউই আজ চেলসির বিপক্ষে ছিলেন না চোটের কারণে। স্কোয়াডে যে একজন স্ট্রাইকারকে নেওয়া হয়েছিল, সেই মইস কিনকেও মূল একাদশে রাখেননি কোচ মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রি।

মোরাতা-দিবালাহীন আক্রমণভাগ সাজানো হয়েছিল মূলত তিন উইঙ্গার ফেদেরিকো কিয়েসা, ফেদেরিকো বের্নার্দেসকি ও হুয়ান কুয়াদ্রাদোদের নিয়ে। তাতেই বাজিমাত। দ্বিতীয়ার্ধে কিয়েসার এক গোলেই নির্ধারিত হয়ে যায় ম্যাচের ভাগ্য।

এমনিতেই দুদিন আগে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে লিগ ম্যাচে হেরে একটু ব্যাকফুটে আছে চেলসি। এর ওপর জুভেন্টাসের বিপক্ষে এই হার নিঃসন্দেহে চেলসি কোচ টমাস টুখেলের চিন্তা বাড়াবে।

তবে বল দখলের লড়াইয়ে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে ছিল চেলসিই। ৭৩% শতাংশ বলের দখল রাখলেও যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি দরকার, সে গোল করার কাজটাই করতে পারেননি লুকাকু-জিয়াশরা। চেলসির ১৬ শটের মাত্র একটাই ছিল গোল বরাবর। লুকাকুর সেই শটটা অসাধারণভাবে আটকে দেন জুভেন্টাসের পোলিশ গোলকিপার ওজিয়েক সেজনি।

দ্বিতীয়ার্ধের দশ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইতালিয়ান উইঙ্গার ফেদেরিকো কিয়েসা। কিংবদন্তি ট্রাইকার আলেসসান্দ্রো দেল পিয়েরোর পর এই প্রথম জুভেন্টাসের হয়ে কেউ টানা চার ম্যাচে গোল করলেন। দশ মিনিট পর আরেক ফেদেরিকো, বের্নার্দেসকি দলকে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি।

ম্যাচের শেষদিকে জুভেন্টাসের ডিফেন্ডার দানিলোর হাতে বল লাগার কারণে পেনাল্টি দাবি করে চেলসি। কিন্তু ভিএআরের সহায়তায় সে যাত্রা বেঁচে যায় জুভেন্টাস। শেষমেশ ১-০ গোলের অসাধারণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তাঁরা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন