বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেভিয়ার এস্তাদিও লা কার্তুহা মাঠে খেলতে নেমেছিল দুই দল। মূল একাদশে যদিও মোরাতা ছিলেন না, গ্রিসের বিপক্ষে গত ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও মূল স্ট্রাইকার হিসেবে কোচ লুইস এনরিকে ভরসা রেখেছিলেন এসপানিওলের ফর্মে থাকা স্ট্রাইকার রাউল দে তমাসকে।

দে তমাসের সঙ্গে আক্রমণভাগে ছিলেন লাইপজিগের দানি অলমো ও বেতিসের পাবলো সারাবিয়া। এই আক্রমণভাগ গোল এনে দিতে পারছে না দেখেই ৫৯ মিনিটে সারাবিয়ার জায়গায় মাঠে নামান হয় মোরাতাকে।

তবে মোরাতা যেভাবে গোল পেয়েছেন, সে কারণে চাইলে অলমোকে একটা বড় করে ধন্যবাদ তিনি দিতেই পারেন। কোনোভাবেই যখন গোলমুখ খুলতে পারছিল না স্পেন, তখনই মাঠের বাঁ প্রান্ত থেকে দৌড়ে এসে আস্তে আস্তে একটু ভেতরে ঢুকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শট মারেন অলমো।

সে শট লাগে সুইডেনের গোলবারে। লেগেই বল চলে যায় সামনে থাকা মোরাতার কাছে। মাথা ঠান্ডা রেখে ৮৬ মিনিটে বাকি কাজটা ঠিকঠাক সেরে ফেলেন জুভেন্টাসের এই স্ট্রাইকার।

default-image

স্পেনের মানুষ তাঁকে যতই অপছন্দ করুক না কেন, মোরাতা আবারও বুঝিয়েছেন, তিনি গোল মিসও যেমন করতে পারেন, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করার অভ্যাসটাও তাঁর মজ্জাগত। স্পেনের হয়ে তাঁর শেষ তিনটা গোলের কথাই চিন্তা করুন।

গতকাল ৮৬ মিনিটে গোল করে দলকে জয় তো এনে দিলেনই, এর আগে ইউরোতে ইতালির বিপক্ষে ৮০ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় এনেছিলেন। এর আগে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে (১০০ মিনিট) গোল করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন