বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না মোহামেডানের। কিন্তু জয় দূরে থাক ম্যাচে ৯০ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল সাদা-কালো দলটি। যোগ হওয়া সময়ে গোল করলেও শেষ রক্ষা হয়নি মোহামেডানের।

৩ ম্যাচে ১ জয়, ১ ড্র ও ১ হার মোহামেডান ও সেনাবাহিনীর। দুই দলেরই পয়েন্ট সমান, ৪। কিন্তু দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সেনাবাহিনী।

default-image

মোহামেডানের তুলনায় প্রথমার্ধে বেশ গোছানো ফুটবল খেলেছে সাইফ। আক্রমণেও উঠেছে একাধিকবার। মোহামেডানের দেশি–বিদেশিদের কেউই ভালো খেলতে পারেনি আজ।

কোচ শন লেন আজই প্রথম মাঠে নামান মেসিডোনিয়ান ডিফেন্ডার ইয়াসমিন মেসিনোভিচ ও নাইজেরিয়ার মিডফিল্ডার ওবে মনেকেকে। দুজনেরই ফিটনেসে ঘাটতি রয়েছে। আর সেটার প্রভাব পড়েছে মাঠের খেলায়।

দলের অন্যতম বড় ভরসা সুলেমান দিয়াবাতেকে সারাক্ষণ বোতলবন্দী করে রাখলেন সাইফের ডিফেন্ডাররা।

default-image

৪৪ মিনিটে প্রথমে এগিয়ে যায় সাইফ। বাঁ প্রান্ত থেকে ফয়সাল আহমেদের বাড়িয়ে দেওয়া বলে দুর্দান্ত এক সাইড ভলিতে সাইফকে উদ্‌যাপনের সুযোগ করে দেন উদোহ। ৭০ মিনিটে স্কোর দ্বিগুণ করতে পারতেন নাইজেরিয়ান এই ফরোয়ার্ড। মোহামেডানের ডিফেন্ডার ইয়াসমিনকে কাটিয়ে বক্সের দিকে এগিয়ে যান। ওই সময় মোহামেডানের গোলরক্ষক আহসান হাবিব বক্স ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তাঁকেও কাটান উদোহ, কিন্তু ফাঁকা পোস্টে বল মারলেন বাইরে!

সময় যত গড়িয়েছে স্নায়ুচাপ ততই বেড়েছে মোহামেডানের। শেষ ১০ মিনিটে আক্রমণের পর আক্রমণ করেছে মোহামেডান। আর যোগ হওয়া সময়ে আলমগীর মোল্লার কর্নার থেকে হেডে রাজীব করেন ১-১। কিন্তু ড্র যে যথেষ্ট ছিল না মোহামেডানের জন্য।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন