৭৫ মিনিটে কর্নার থেকে আসা এক বল আটকাতে গিয়ে ভুলবশত বলে হাত লেগে যায় ডর্টমুন্ডের জার্মান সেন্টারব্যাক ম্যাটস হামেলসের; যদিও বলের দিকে হামেলসের দৃষ্টি ছিল না। প্রথমে পেনাল্টি না দিলেও পরে ভিএআরের সহায়তায় বায়ার্নকে পেনাল্টি দেন রেফারি জোয়ায়ের। সেখান থেকেই গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন লেভানডফস্কি। আর এই পেনাল্টি নিয়েই ম্যাচ শেষে বিরক্তির সুরে কথা বলেছেন দুই ডর্টমুন্ড তারকা জুড বেলিংহ্যাম আর হরলান্ড।


২০০৫ সালে ম্যাচ পাতানো কেলেঙ্কারিতে টালমাটাল হয়েছিল জার্মান ফুটবল। সে কেলেঙ্কারিতে নাম এসেছিল ফেলিক্স জোয়ায়েরের। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কারণে ছয় মাস নিষিদ্ধও হয়েছিলেন এই রেফারি।

ইংলিশ মিডফিল্ডার বেলিংহ্যাম রেফারির ওই কালো অতীতের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন, ‘এটা পেনাল্টি ছিল না। হামেলস বলের দিকে তাকাচ্ছিলও না। ও বলের দখল নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছিল। তখনই হুট করে বল ওর হাতে আঘাত করে। এমন অনেক সিদ্ধান্তের দিকে চাইলেই প্রশ্ন তোলা যায়। এখন আপনি যদি জার্মানির সবচেয়ে বড় ম্যাচ পরিচালনা করার জন্য এমন একজনকে দায়িত্ব দেন, যার ম্যাচ পাতানোর ইতিহাস আছে, আর কীই–বা প্রত্যাশা করা যায়?’

একই অভিযোগ হরলান্ডেরও, ‘আমার মনে হয় রেফারির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। প্রথমার্ধে মার্কো রয়েসকে নিশ্চিত একটা পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। আমি রেফারিকে তখন জিজ্ঞাসাও করলাম যে সে ভিএআরে দেখছে না কেন? সে বলল, দেখার দরকার নেই। একটু উদ্ধতই ছিল সে। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলব না।’


ম্যাচের শুরুতেই বেলিংহ্যামের সহায়তায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জার্মান মিডফিল্ডার ইউলিয়ান ব্র্যান্ট। ৯ মিনিটেই ডর্টমুন্ড-রক্ষণের এক ভুলের সুযোগ নিয়ে টমাস মুলারের সহায়তায় দলকে সমতায় ফেরান লেভানডফস্কি। ৪৪ মিনিটে ফরাসি উইঙ্গার কিংসলে কোমানের গোলে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। ৪৮ মিনিটে দৃষ্টিনন্দন এক গোল করে দলকে সমতায় ফেরান হরলান্ড।


এরপরই সেই পেনাল্টি-বিতর্ক!