বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৯৭২ সালে তৃতীয় বিভাগ দিয়ে ঢাকার ফুটবলে ব্রাদার্সের আবির্ভাব। সে সময় যাঁর বাড়িতে ব্রাদার্স ফুটবল দলের ক্যাম্প হতো, সেই শহিদউদ্দিন আহমেদ সেলিম পরপারে চলে গেছেন ৬ জানুয়ারি। প্রয়াত বন্ধুকে স্মরণ করে সত্তর–আশির দশকে ব্রাদার্সের অন্যতম তারকা ফুটবলার হাসানুজ্জামান বাবলু বললেন, ‘ব্রাদার্সের অবনমিত হওয়ার খবরে সেলিম খুব কেঁদেছিল। বেঁচে থাকলে আরও বেশি কষ্ট পেত সে। বর্তমান নেতৃত্ব ব্রাদার্স ক্লাবটাকে আর কত নিচে নামাবে জানি না। আমরা ভীষণ ব্যথিত, দুঃখিত। জীবদ্দশায় ব্রাদার্সের এমন করুণ পরিণতি দেখব ভাবিনি।’

default-image

মূলত আর্থিক সংকটের কারণেই ব্রাদার্স চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে খেলছে না বলে জানা গেছে। তবে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে খেলতে কম বাজেটের হলেও একটা দল গড়া যেত বলে মনে করেন বাফুফের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও পেশাদার লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী, ‘বাফুফের নির্বাহী কমিটিতে ব্রাদার্সের তিনজন কর্মকর্তা আছেন। ডিরেক্টর ইনচার্জ মহিউদ্দিন আহমেদ বাফুফের সহসভাপতি। আমের খান ও মহিদুর রহমান কার্যনির্বাহী সদস্য। ওরা চাইলে ক্লাবের সংকট নিয়ে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারত। প্রয়োজনে বাফুফের একাডেমি টিম ব্রাদার্স নাম নিয়ে খেলত। কিন্তু ব্রাদার্স কোনো যোগাযোগই করেনি বাফুফের সঙ্গে।’ তাঁর মতে, আর্থিক সংকট নয়, কর্মকর্তাদের আগ্রহের অভাবেই ব্রাদার্সের এই দুরবস্থা।

default-image

যে ক্লাবের দুরবস্থা নিয়ে এত হাহাকার, সেই ব্রাদার্সের ডিরেক্টর ইনচার্জ মহিউদ্দিন আহমেদ অবশ্য এ ব্যাপারে কথাই বলতে চাননি। প্রথম আলোকে গতকাল তিনি শুধু বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে আমেরের (আমের খান, ব্রাদার্সের পরিচালক ও ফুটবল দলের ম্যানেজার) সঙ্গে কথা বলুন। সে ব্রাদার্সের ফুটবল দেখে।’ কিন্তু ভারতে অবস্থানরত আমেরের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘এ নিয়ে পরে কথা বলব।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন