default-image

কিন্তু শেষমেশ পুরো সময় ধরে নীরবতা পালন করা সম্ভব হয়নি।

হয়নি ম্যানচেস্টার সিটির কিছু সমর্থকের কারণেই। নীরবতা চলার সময় বেশ কয়েকজন লিভারপুল ক্লাব, তাঁদের সমর্থক ও হিলসবরোতে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে দুয়ো দিতে শুরু করেন। প্রবল নৈঃশব্দ্যের মধ্যে যে দুয়োধ্বনি বেশ বাজেভাবেই ধরা দেয় কানে। যে কারণে রেফারি মাইকেল অলিভার চাইলেও এক মিনিটের পুরোটা সময় ধরে নীরবতা পালন করাতে পারেননি। এ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছে ম্যাচে ৩-২ গোলে হেরে যাওয়া সিটি।

default-image

নিজেদের সমর্থকদের জঘন্য কাণ্ডে সমর্থন দেওয়ার কোনো চেষ্টা করেনি ম্যানচেস্টার সিটি। আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে লিভারপুলের কাছে, ‘ম্যাচ শুরুর আগে এক মিনিট নীরবতাকালে কিছু সমর্থকদের কাণ্ডে ম্যানচেস্টার সিটি অনেক হতাশ। লিভারপুল ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ম্যানচেস্টার সিটি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছে।’

ক্ষমা প্রার্থনার পর এই ঘটনার জন্য ম্যানচেস্টার সিটিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন লিভারপুলের ম্যানেজার ইয়ুর্গেন ক্লপ। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, কয়েকজন সমর্থকের কাণ্ডের জন্য সিটিকে দোষ দেওয়া যায় না, ‘অবশ্যই আমরা সিটিকে ক্ষমা করে দিয়েছি, আমরা জানি সিটি ক্লাব হিসেবে এমন নয়। কিছু মানুষ পরিস্থিতি বুঝতে চায় না, এটাই কষ্টের বিষয়। কিন্তু আমরা ব্যাপারটা বদলাতে পারি না। সমর্থকদের এ ঘটনায় সিটির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তাই আমরা ওদের ক্ষমা করে দিচ্ছি।’

গোটা বিশ্বের ফুটবল ইতিহাসেই একটা মর্মান্তিক দিন ১৯৮৯ সালের ১৫ এপ্রিল। শেফিল্ড ওয়েনসডে ক্লাবের হিলসবরো স্টেডিয়ামে সেদিন এফএ কাপের সেমিফাইনালে লিভারপুল-নটিংহাম ফরেস্ট ম্যাচের সময় হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছিলেন ৯৭ জন লিভারপুল–সমর্থক।

গতকাল শেষ হাসি অবশ্য লিভারপুলই হেসেছে। সাদিও মানের জোড়া গোল আর ইবরাহিমা কোনাতের এক গোল মিলিয়ে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনালে উঠেছে লিভারপুল।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন