বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সানরাইজার্সকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও কেইন উইলিয়ামসন। ১২.১ ওভারের মধ্যে ৮৯ রান তোলার পর আউট হন উইলিয়ামসন। ৪০ বলে ৩২ রান করা কিউই তারকাকে মঈন আলীর ক্যাচে পরিণত করেন চেন্নাইয়ের বাঁহাতি পেসার মুকেশ চৌধুরী।

জয়ের জন্য তখন ৪৭ বলে ৬৬ রানের দূরত্বে পিছিয়ে ছিল সানরাইজার্স। রাহুল ত্রিপাঠি এসে দ্রুত রান তোলার ধারা বজায় রাখেন অভিষেকের সঙ্গে। ডোয়াইন ব্রাভোর ১৪তম ও মুকেশ চৌধুরীর করা ১৫তম ওভার থেকে যথাক্রমে ১১ ও ১৩ রান তুলে নেন ত্রিপাঠি ও অভিষেক।

default-image

জয়ের জন্য শেষ পাঁচ ওভারে ৩৪ রান দরকার ছিল সানরাইজার্সের। এখান থেকে ম্যাচটা জেতা মোটেও কঠিন হয়নি উইলিয়ামসনের দলের জন্য। ইংলিশ পেসার ক্রিস জর্ডান ১৭তম ওভারে ১৯ রান দেওয়ার পর বলের চেয়ে রানসংখ্যা কমে আসে সানরাইজার্সের। ১৮ বলে দরকার ছিল ১১ রান।

৩ ছক্কা ও ৫ চারে ৫০ বলে ৭৫ রান করা অভিষেক আউট হন পরের ওভারে। ব্রাভোর করা ওই ওভারেই জয় নিশ্চিত করেন ত্রিপাঠি ও নিকোলাস পুরান। ২ ছক্কা ও ৫ চারে ১৫ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত ছিলেন ত্রিপাঠি। চেন্নাইয়ের হয়ে ১টি করে উইকেট মুকেশ ও ব্রাভোর।

এর আগে চেন্নাইকে অল্প সময়ের মধ্যে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবিন উথাপ্পা। ৩.১ ওভারের মধ্যে ২৫ রান তুলে ফেলেন দুজন। ১১ বলে ১৫ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দরকে উইকেট দেন উথাপ্পা।

এক ওভার পর রুতুরাজকে (১৬) তুলে নেন সানরাইজার্স পেসার টি নটরাজন। তৃতীয় উইকেটে আম্বাতি রাইড়ু ও মঈন আলীর ৫০ বলে ৬২ রানের জুটিটা চেন্নাইয়ের ইনিংসে ভিত গড়ে দেয়। ২৭ রান করা রাইড়ু ১৪তম ওভারে আউট হওয়ার পর চেন্নাইয়ের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৯৮। এখান থেকে আর কেউ সেভাবে চেন্নাইয়ের হাল ধরতে পারেননি।

২ ছক্কা ও ৩ চারে ৩৫ বলে ৪৮ রান করা মঈন পরের ওভারেই আউট হন এইডেন মার্করামের বলে। ১৫ ওভার শেষে চেন্নাইয়ের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১০৮। এখান শেষ ৫ ওভারে মাত্র ৪৬ রান তুলতে পেরেছে চেন্নাই।

১৫ বলে ২৩ রান করা জাদেজা আউট হন শেষ ওভারে। চেন্নাইয়ের বাজে সময়ে জাদেজা নিজেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারছেন না। আজ ২৩ রানে আউট হওয়ার আগে তিন ম্যাচে তাঁর স্কোর ০,১৭ ও ২৬*। বোলিংয়ে চার ম্যাচে ১০১ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট।

সানরাইজার্সের হয়ে এই ম্যাচে ২টি করে উইকেট নটরাজন ও ওয়াশিংটন সুন্দরের।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন