বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে আজ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত করার পথে জামালপুর কাচারিপাড়া একাদশকে গোলবন্যায় ভাসিয়েছেন বসুন্ধরার মেয়েরা। ম্যাচের ফল: ১৮-০! হ্যাটট্রিক করেছেন সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রাণী সরকার (৫ গোল) ও শামসুন্নাহার জুনিয়র (৪ গোল)। জোড়া গোল করেছেন সানজিদা; একটি করে গোল মনিকা চাকমা, আনাই মগিনি ও সুমাইয়া মাতুসিমার। অন্য গোলটি আত্মঘাতী।

বসুন্ধরার বিপক্ষে খেলা মানেই প্রতিপক্ষ গোলকিপারের জন্য আতঙ্ক। আজ তো জামালপুরের গোলকিপার মেহবুবাকে দেখে খুব অসহায় মনে হচ্ছিল। একটি করে গোল খাচ্ছেন আর পোস্ট থেকে বের করে আনছেন বল। সেটি সতীর্থদের হাতে তুলে দিয়ে যেন আবার পড়ছেন পরের গোল খাওয়ার আশঙ্কায়।

default-image

লিগে এখন পর্যন্ত ২৪ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা কৃষ্ণা।জাতীয় দলের অধিকাংশ খেলোয়াড় নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যেই বড় বাজেটের দল গড়েছিল বসুন্ধরা। তাদের সঙ্গে কেবল লড়াই করেছিল আতাউর রহমান ভূঁইয়া স্পোর্টিং ক্লাব। তাদের বিপক্ষে প্রথম পর্বে ১-০ ও দ্বিতীয় পর্বে ৩-০ গোলে জয় পায় বসুন্ধরা। বাকি ম্যাচগুলোতে গোল উৎসব করেছেন সাবিনারা।


তাই বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, এখন আর এটাকে তেমন বড় খবর বলা যায় না। তাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা ছিল অনুমিতই। বরং যে দাপটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, সেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এখন পর্যন্ত লিগে ১৩ ম্যাচে সব কটি তো জিতেছেই, এই ১৩ ম্যাচে মাত্র ১ গোল খাওয়ার বিপরীতে বসুন্ধরা মোট গোল করেছে ১০৭টি। আগামী পরশু নাসরিন স্পোর্টস একাডেমির বিপক্ষেও যে তারা বড় ব্যবধানে জিতবে, তা বলাই যায়।

default-image

আরও একটি পরিসংখ্যান দিলে মেয়েদের লিগে বসুন্ধরার দাপটটা বোঝা যাবে। মেয়েদের লিগে নাম লেখানোর পর এখন পর্যন্ত একটি ম্যাচেও হারেনি তারা। সর্বশেষ লিগে ১২টি ম্যাচের সব কটিতে জয়ের পথে ১১৯ গোল করেছিল। এবার সে হিসেবে গোলের সামনে প্রতিপক্ষকে ছিঁড়েখুঁড়ে খাওয়ার ভাবনায় একটু লাগামই টেনেছে বসুন্ধরা।


লিগে এখন পর্যন্ত ২৪ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা কৃষ্ণা। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্যই থাকে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। গতবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। আমাদের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন