বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইভান রাকিতিচের কর্নার থেকে ৩২ মিনিটে পাপু গোমেজের গোলে এগিয়ে যায় সেভিয়া। জমজমাট প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে সমতাসূচক গোলের দেখা পায় বার্সা। উসমান দেম্বেলের সেটপিস থেকে গোল করেন উরুগুয়ে ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউজো।

বিরতির পর ৬৪ মিনিটে হঠাৎ করেই মেজাজ হারিয়ে লাল কার্ড দেখেন সেভিয়া ডিফেন্ডার ইউলেস কুন্দে। বার্সার লেফটব্যাক জর্দি আলবার মুখে বল ছুড়ে মারেন তিনি। ম্যাচের বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলা সেভিয়ার জালে আর গোল করতে পারেনি বার্সা। অফসাইডের কারণে সেভিয়ার রাফা মিরের গোলও বাতিল হয়।

default-image

গাভি ও দেম্বেলে একটি করে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন দ্বিতীয়ার্ধে। গাভির হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং দেম্বেলের শটও জাল খুঁজে পায়নি। সেভিয়ার গোলপোস্ট কাঁপিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে ম্যাচে উজ্জ্বল ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। চারটি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন দেম্বেলে। ম্যাচটা জিতলে আগস্টের পর প্রথমবারের মতো লা লিগা টেবিলের শীর্ষ চারে উঠে আসতে পারত বার্সা।

পয়েন্ট ভাগ করায় ১৮ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে সাতে রইল জাভির দল। সেভিয়ার জন্যও ম্যাচটা জেতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৮ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে থাকা দলটি তখন শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের ওপর চাপ বাড়াতে পারত।

১৮ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল। তবে পয়েন্ট হারিয়েও বার্সার খেলার ধরনে সন্তুষ্ট কোচ জাভি, ‘আমরা ২ পয়েন্ট হারিয়েছি। ১১ জন বনাম ১১ জন থাকলেও আমাদের জেতা উচিত ছিল। দুর্ভাগ্যও ভর করেছিল। দেম্বেলের শট পোস্টে লেগেছে, গাভিও গোলের খুব কাছাকাছি ছিল। তবে বার্সার খেলার ধরনটা বেরিয়ে আসছে, আমি এটাই চাই।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন