বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আজ নতুন করে করোনা পরীক্ষায় তিনজন আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েছে বার্সেলোনা। রাইটব্যাক সের্হিনিও দেস্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মাঠের উল্টো দিকেও করোনা হানা হয়েছে। প্লেমেকার ফিলিপ কুতিনিও এবং উইঙ্গার আবদে এজ্জালজুলিও আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এর আগেই ক্লাবে আরও সাত খেলোয়াড় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। জানুয়ারি থেকে বার্সেলোনার জার্সিতে নামার অনুমতি পাওয়া দানি আলভেজ করোনায় আক্রান্ত। সেন্টারব্যাক লংলে ও উমতিতিও কোভিড-১৯ পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছেন।

বার্সা রক্ষণের বাঁ প্রান্তও খালি হয়ে গেছে। মূল লেফটব্যাক জর্দি আলবা ও তাঁর বিকল্প আলেহান্দ্রো বালদে—দুজনই করোনায় আক্রান্ত। মাঝমাঠে গাভি এবং সদ্য বিয়ে করে বার্সেলোনায় ফেরা উসমান দেম্বেলেও রোববার করোনার কারণে খেলতে পারবেন না।

default-image

করোনার এমন প্রকোপে বার্সেলোনা রোববারের ম্যাচের জন্য এখন যে খেলোয়াড়দের পাচ্ছে, সে তালিকা খুবই ছোট—গোলরক্ষক মার্ক–আন্দ্রে টের স্টেগেন ও নেতো। সেন্টারব্যাক আরাউহো, পিকে, এরিক গার্সিয়া ও অস্কার মিঙ্গেসা। মাঝমাঠে আছেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, রিকি পুচ, নিকো গঞ্জালেস। আক্রমণে সুস্থ আছেন একাডেমির ফেরান জাগলা এবং এই দলবদলেই যাঁকে ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা বার্সার, সেই লুক ডি ইয়ং। ধারে আসা ইউসুফ দেমিরকে গতকালই ছেড়ে দিয়েছে বার্সেলোনা।

এখন যে অবস্থা, তাতে বার্সেলোনা হয়তো কোনোরকমে একটি দল মাঠে নামাতে পারবে, কিন্তু তখন বেঞ্চে মূল দলের কেউই থাকবেন না। আর নিকো, জাগলা তো মূলত একাডেমির খেলোয়াড়! আর রোববারের মধ্যে আরও দু-একজন যদি করোনায় আক্রান্ত হন, তাহলে তো অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যাবে। কিন্তু আরও দু-একজন করোনায় আক্রান্ত হলেও ম্যাচ পেছানোর সুযোগ পাবে না বার্সেলোনা। কারণ, লা লিগার নিয়ম!

করোনার কারণে ম্যাচ পেছানোর জন্য ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম হলো, মূল স্কোয়াডের অন্তত ১৩ জন থাকতে হবে। তবে লা লিগার নিয়মটা অনেক কঠিন, যতক্ষণ মূল একাদশের অন্তত পাঁচজন খেলোয়াড় (গোলকিপারসহ) সুস্থ থাকবেন এবং একাডেমি থেকে ১৩ জন খেলোয়াড় আনার সুযোগ থাকবে, ততক্ষণ ম্যাচ পেছানোর সুযোগ নেই। নিকো, জাগলা ছাড়া বার্সেলোনার মূল একাদশের এখনো নয়জন সুস্থ আছেন।

default-image

শুধু বার্সেলোনা নয়, লা লিগার সব দলই করোনার ধাক্কা খেয়েছে। বড়দিনের আগে রিয়ালের লুকা মদরিচ, মার্সেলো, মার্কো আসেনসিও, রদ্রিগো, গ্যারেথ বেল, আন্দ্রিয়া লুনিন, ইসকো ও ডেভিড আলাবা আক্রান্ত হয়েছিলেন। অ্যাথলেটিক বিলবাওর বিপক্ষে মূল একাদশের ১৩ জন নিয়েই খেলেছিল রিয়াল। তাঁরা সবাই সুস্থ হয়ে উঠলেও নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন চারজন।

ওদিকে আতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমিওনেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দলের মূল একাদশের কোকে, আঁতোয়ান গ্রিজমানও আক্রান্ত হয়েছেন মহামারিতে। গ্রিজমানের বদলে মাঠে যিনি ভরসা হতে পারতেন, সেই জোয়াও ফেলিক্সও পজিটিভ হয়েছেন। মিডফিল্ডার এক্তর এরেরাও একই কারণে থাকবেন না রোববারের ম্যাচে।

লা লিগায় বর্তমানে ৮৯ খেলোয়াড় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন লিগে। এ সংখ্যা লিগের মোট খেলোয়াড়ের ১৫ শতাংশের বেশি। অর্থাৎ শুধু লা লিগায়ই এখন সংক্রমণ ১৫ শতাংশের বেশি!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন