default-image

এমন রাত বার্সেলোনার ইতিহাসে আর কবে এসেছে, গবেষণার বিষয়। চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনা এর আগে কবে এভাবে পর্যুদস্ত হয়েছে? মনে পড়ে না। না পড়াই স্বাভাবিক। আট গোলের যন্ত্রণা তো যেমন তেমন নয়!

তবে যন্ত্রণা সহ্য করার শুধু বার্সেলোনা সমর্থক হতে হবে, তা কিন্তু নয়। সাধারণ ফুটবলভক্ত হলেও কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সেলোনা বা জুভেন্টাসের হেরে যাওয়া দেখে কষ্ট লাগার কথা যে কারও। কিন্তু কেন?

শেষ কবে মেসি-রোনালদোকে ছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল দেখেছেন, মনে পড়ে?

মাথা চুলকেও যদি প্রশ্নের উত্তর না মনে আসে, বিব্রত হবেন না। মনে না পড়াটাই স্বাভাবিক। বিশ্ব ফুটবলের এই দুই মহারথীকে ছাড়া সর্বশেষ ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল আয়োজিত হয়েছিল সেই ২০০৫-০৬ সালে।

সে মৌসুমে ফাইনালে আর্সেনালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল বার্সেলোনা। চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলেও, সেমিফাইনাল বা ফাইনালে মেসিকে দেখা যায়নি সেবার। রোনালদিনহো, স্যামুয়েল ইতো, ডেকো, লুডোভিক জুলিদের ঔজ্জ্বল্যে ভাস্বর বার্সা সেবার চোটের কাছে মেসিকে হারিয়েছিল কোয়ার্টার ফাইনালে।

ওদিকে রোনালদোর অবস্থা ছিল আরও হতাশাজনক। সেবার গ্রুপপর্ব থেকেই বাদ পড়ে যায় রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ভিয়ারিয়াল, বেনফিকা, লিলের গ্রুপে একেবারে টেবিলের তলায় জায়গা হয় রোনালদোদের।

এরপর থেকে একটা জিনিস নিশ্চিত ছিল, সেমিফাইনালে অন্তত মেসি বা রোনালদোর মধ্যে একজনের উপস্থিতি দেখা যেতই। এবার সেটাও হচ্ছে না। রোনালদো তো আগের রাউন্ডেই বাদ পড়েছেন লিওঁ-বাধা পেরোতে না পেরে, গতরাতে বায়ার্নও অপমান করে বিদায় করে দিল মেসিদের।

ফুটবল-বিশ্ব আসলেই নতুন যুগে ঢুকতে চলেছে। যে যুগে মেসি-রোনালদো ছাড়াও সে দিব্যি চলতে পারে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0